হারারেতে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছে জিম্বাবুয়ে।
আগের দিনের ১ উইকেটে ৪০ রান
নিয়ে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ৪৫ ওভারে ১৮৫ রানেই অলআউট
হয়ে যায় তারা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১৪০ রানের জবাবে স্বাগতিকরা করে ছিল ৪১০রান।
পাঁচ দিনের ম্যাচ শেষ আড়াই দিনেই।
গতকাল দিনের দ্বিতীয় ওভারেই ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ব্লেসিং মুজারাবানির গুড লেংথ থেকে লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারি জয়ের ব্যাটের কানায় লেগে গালিতে সহজ ক্যাচে পরিণত হয়।
প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি
করে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ গড়া মোমিনুল এই ইনিংসে ব্যর্থ হন। মুজারাবানির ফুল ডেলিভারি
ঠেকাতে গিয়ে স্লিপে ব্র্যাড ইভান্সের দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন তিনি। অধিনায়ক নাজমুল
হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এতে বাংলাদেশের সংগ্রহ শতরান পার হয়। বড় স্কোরের ইঙ্গিত দেওয়া শান্ত ৩০ রান করে ফুলটস
বলে ইনসাইড-এজ হয়ে আউট হন।
কিছুক্ষণ পরই ৩৪ রান করে বিদায় নেন মুশফিকও। লেগ সাইডের একটি ডেলিভারি তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। মধ্যাহ্ন বিরতি ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১৭/৫ রান। দ্বিতীয় সেশনেও কোনো স্বস্তি মেলেনি। ক্রিজে পা আটকে রেখে খেলতে গিয়ে মুজারাবানির বলে এজ হয়ে ৯ রানে আউট হন অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয়। রিচার্ড এনগারাভার শিকার হওয়ার আগে ২৫ রানের ইনিংস খেলার পথে কয়েকটি বাউন্ডারি হাঁকান অমিত হাসান।
শেষ ব্যাটার হিসেবে হাসান
মাহমুদ আউট হওয়ার মাধ্যমে ইনিংস ব্যবধানে বিশাল হার নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় টেস্ট
জয়ের রূপকার মুজারাবানি ৬৫ রানে ৪ উইকেট নেন। অন্যদিকে এনগারাভা তিনটি ও নিয়ামহুরি
দুটি উইকেট শিকার করেন।
জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ
ইনিংস ব্যবধানে সবশেষ হেরেছিল সেই ২০০১ সালে। দুই দলের প্রথম টেস্ট ছিল সেটি, টেস্ট
ক্রিকেটে বাংলাদেশের ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ।
জিম্বাবুয়ের টেস্ট ইতিহাসের
সবচেয়ে বড় জয় এটি। আগের সেরা জয়টি ছিল ঠিক আগের টেস্টেই। গত অক্টোবরে আফগানিস্তানকে
হারায় তারা ইনিংস ও ৭৩ রানে।
দুই দল এখন খেলবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যেটি শুরু আগামী সোমবার।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
হারারেতে বাংলাদেশকে ইনিংস ও ৮৫ রানে হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়েছে জিম্বাবুয়ে।
আগের দিনের ১ উইকেটে ৪০ রান
নিয়ে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ৪৫ ওভারে ১৮৫ রানেই অলআউট
হয়ে যায় তারা। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ১৪০ রানের জবাবে স্বাগতিকরা করে ছিল ৪১০রান।
পাঁচ দিনের ম্যাচ শেষ আড়াই দিনেই।
গতকাল দিনের দ্বিতীয় ওভারেই ২২ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ব্লেসিং মুজারাবানির গুড লেংথ থেকে লাফিয়ে ওঠা ডেলিভারি জয়ের ব্যাটের কানায় লেগে গালিতে সহজ ক্যাচে পরিণত হয়।
প্রথম ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি
করে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ গড়া মোমিনুল এই ইনিংসে ব্যর্থ হন। মুজারাবানির ফুল ডেলিভারি
ঠেকাতে গিয়ে স্লিপে ব্র্যাড ইভান্সের দুর্দান্ত ক্যাচে বিদায় নেন তিনি। অধিনায়ক নাজমুল
হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম ৬১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
এতে বাংলাদেশের সংগ্রহ শতরান পার হয়। বড় স্কোরের ইঙ্গিত দেওয়া শান্ত ৩০ রান করে ফুলটস
বলে ইনসাইড-এজ হয়ে আউট হন।
কিছুক্ষণ পরই ৩৪ রান করে বিদায় নেন মুশফিকও। লেগ সাইডের একটি ডেলিভারি তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। মধ্যাহ্ন বিরতি ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১৭/৫ রান। দ্বিতীয় সেশনেও কোনো স্বস্তি মেলেনি। ক্রিজে পা আটকে রেখে খেলতে গিয়ে মুজারাবানির বলে এজ হয়ে ৯ রানে আউট হন অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয়। রিচার্ড এনগারাভার শিকার হওয়ার আগে ২৫ রানের ইনিংস খেলার পথে কয়েকটি বাউন্ডারি হাঁকান অমিত হাসান।
শেষ ব্যাটার হিসেবে হাসান
মাহমুদ আউট হওয়ার মাধ্যমে ইনিংস ব্যবধানে বিশাল হার নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
জিম্বাবুয়ের সবচেয়ে বড় টেস্ট
জয়ের রূপকার মুজারাবানি ৬৫ রানে ৪ উইকেট নেন। অন্যদিকে এনগারাভা তিনটি ও নিয়ামহুরি
দুটি উইকেট শিকার করেন।
জিম্বাবুয়ের কাছে বাংলাদেশ
ইনিংস ব্যবধানে সবশেষ হেরেছিল সেই ২০০১ সালে। দুই দলের প্রথম টেস্ট ছিল সেটি, টেস্ট
ক্রিকেটে বাংলাদেশের ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ।
জিম্বাবুয়ের টেস্ট ইতিহাসের
সবচেয়ে বড় জয় এটি। আগের সেরা জয়টি ছিল ঠিক আগের টেস্টেই। গত অক্টোবরে আফগানিস্তানকে
হারায় তারা ইনিংস ও ৭৩ রানে।
দুই দল এখন খেলবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যেটি শুরু আগামী সোমবার।

আপনার মতামত লিখুন