সংবাদ

আদমদীঘিতে পাচারের অভিযোগে সারের গুদাম সিলগালা

বগুড়ার আদমদীঘিতে উত্তোলন করা সরকারি সার গুদামে মজুত না রেখে পাচার করার অভিযোগে ‘মেসার্স কাশেম এন্টারপ্রাইজ’ নামের এক ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই ডিলারের গুদামটি সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের মুরইল বাজারের সার ডিলার আবুল কাশেম গত ১৫ জুলাই সরকারি গুদাম থেকে ২৫২ বস্তা ইউরিয়া সার উত্তোলন করেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সার উত্তোলনের পর কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করে কৃষকদের মাঝে তা বিক্রি করার কথা। কিন্তু ডিলার আবুল কাশেম কৃষি কর্মকর্তাকে কিছু না জানিয়েই গত শনিবার সকালে গোপনে গুদাম থেকে সার সরিয়ে ফেলেন।বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সংবাদ পেয়ে রোববার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই গুদামে অভিযান চালায়। অভিযানে দেখা যায়, ২৫২ বস্তা সারের মধ্যে গুদামে মাত্র ২৬ বস্তা সার রয়েছে। অবশিষ্ট ২২৬ বস্তা সার অবৈধভাবে সরিয়ে ফেলার সত্যতা পাওয়ায় ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং গুদামটি সিলগালা করা হয়।অভিযানকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রবিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অভিযুক্ত ডিলার সার সরিয়ে ফেলার বিষয়ে কোনো বৈধ রশিদ দেখাতে পারেননি। উপজেলা সার মনিটরিং কমিটির বৈঠকে তার বিষয়ে পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’এ বিষয়ে ডিলার আবুল কাশেমের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

আদমদীঘিতে পাচারের অভিযোগে সারের গুদাম সিলগালা