সংবাদ

পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন চাঁদপুরের ডিসি


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন চাঁদপুরের ডিসি
ছবি : সংবাদ

চাঁদপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর কোলে এসেছে এক ফুটফুটে নবজাতক কন্যাশিশু। পিতৃপরিচয়হীন এই মা ও শিশুর চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। রোববার (৫ জুলাই) সকালে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নবজাতককে দেখতে যান জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরী হাসপাতালের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছিলেন। গত শুক্রবার রাতে শাহনাজ বেগম নামে এক নারী তাকে শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে অসহায় অবস্থায় দেখতে পান। কিশোরীর প্রসববেদনা লক্ষ করে তিনি তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করান। পরদিন শনিবার ওই কিশোরী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

আজ সকালে জেলা প্রশাসক হাসপাতালে গিয়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং নবজাতকের জন্য উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহাবুবুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘মা ও শিশু দুজনই বর্তমানে সুস্থ আছেন। শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে অনেক আবেদন জমা পড়েছে। তবে আইনগত সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবে-এমন পরিবারের কাছেই শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে।’

হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স শারমিন আক্তার জানান, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে ওই কিশোরী নিজের নাম-পরিচয় বা সন্তানের বাবার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬


পরিচয়হীন নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন চাঁদপুরের ডিসি

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরে এক মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরীর কোলে এসেছে এক ফুটফুটে নবজাতক কন্যাশিশু। পিতৃপরিচয়হীন এই মা ও শিশুর চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)। রোববার (৫ জুলাই) সকালে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নবজাতককে দেখতে যান জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন কিশোরী হাসপাতালের আশপাশে ঘোরাঘুরি করছিলেন। গত শুক্রবার রাতে শাহনাজ বেগম নামে এক নারী তাকে শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে অসহায় অবস্থায় দেখতে পান। কিশোরীর প্রসববেদনা লক্ষ করে তিনি তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করান। পরদিন শনিবার ওই কিশোরী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

আজ সকালে জেলা প্রশাসক হাসপাতালে গিয়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন এবং নবজাতকের জন্য উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহাবুবুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, ‘মা ও শিশু দুজনই বর্তমানে সুস্থ আছেন। শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে অনেক আবেদন জমা পড়েছে। তবে আইনগত সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারবে-এমন পরিবারের কাছেই শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে।’

হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স শারমিন আক্তার জানান, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে ওই কিশোরী নিজের নাম-পরিচয় বা সন্তানের বাবার সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারছেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত