সংবাদ

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড


প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রতিনিধি, নোয়াখালী
প্রকাশ: ৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নোয়াখালী। ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় ৫ বছরের শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনের (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আসমা। ঘটনার ৯ দিন পর বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহিতের বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, তিনি শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখেন।

\

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা: জেঠাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় ৫ বছরের শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে তার জেঠাতো ভাই শাহাদাত হোসেনের (২৬) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদাত চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাবুল হোসেনের ছেলে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সেলিম শাহী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রায়ে আসামিকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আসমা। ঘটনার ৯ দিন পর বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংকি থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহিতের বাবা মাওলানা শাহজাহান বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ শাহাদাতকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের পর শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, তিনি শিশু আসমাকে ধর্ষণের পর ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহটি সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখেন।

\


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত