মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাজিদ (১৭) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাজিদ একই গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে। এর আগে ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে সাজিদকে প্রধান আসামি করে গজারিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।
গজারিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। আত্মগোপনে থাকা সাজিদকে ধরতে সোমবার গভীর রাতে পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয় এবং রাত ৩ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গজারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মামলা হওয়ার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী সাজিদের লালসার শিকার হয়ে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি কৌশলে কিশোরীর গর্ভপাত করানোর জন্য পরিবারটিকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পরিবারটি থানার আশ্রয় নেয়।
অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত এবং ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
\

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাজিদ (১৭) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার সাজিদ একই গ্রামের মহিউদ্দিনের ছেলে। এর আগে ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে সাজিদকে প্রধান আসামি করে গজারিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।
গজারিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তৎপর হয়ে ওঠে। আত্মগোপনে থাকা সাজিদকে ধরতে সোমবার গভীর রাতে পৈক্ষারপাড় নয়াকান্দি গ্রামে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয় এবং রাত ৩ টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গজারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সাব্বির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “মামলা হওয়ার মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী সাজিদের লালসার শিকার হয়ে কিশোরীটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিচারের আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি কৌশলে কিশোরীর গর্ভপাত করানোর জন্য পরিবারটিকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পরিবারটি থানার আশ্রয় নেয়।
অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত এবং ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন