মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রাস্তার দাবিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ ও তাঁর স্ত্রী লোপা কায়সার। উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে মাত্র ২ টি পরিবারের বাধায় রাস্তা নির্মাণ করতে না পারায় অন্তত ১০০টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর-পুরান বাউশিয়া সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার জনপ্রিয় প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের বাবা-মা।
মানববন্ধনে কায়সার হামিদ বলেন, ‘এটি আমার শ্বশুরবাড়ি এলাকা। এখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম আছে, যা আমরা বর্তমানে বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করি। মাত্র দুটি পরিবারের আপত্তিতে ৭০০ ফুট রাস্তার ১০০ ফুট কাজ বাকি থাকায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। আজ ১০০ পরিবার জিম্মি। কেউ মারা গেলে খাটিয়া বের করা যায় না, অসুস্থদের হাসপাতালে নেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি, তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’
কায়সার হামিদের স্ত্রী লোপা কায়সার বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার মেয়ে কারিনা মারা গেছে। অথচ এই রাস্তার অভাবে আমার মেয়ের লাশটি পর্যন্ত বাড়িতে নিতে পারিনি। আমরা জায়গার দাম দিয়ে জমি কিনে নিতে চাইলেও তারা রাজি হচ্ছে না। প্রাবাধ্য হয়ে জনগণের কথা চিন্তা করে আজকে আমরা এই গণকর্মসূচিতে নেমেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন বলেন, ‘বাড়ি সামনে হওয়ায় দুজন লোক পেছনের প্রায় ১০০টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। রাস্তার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করছি। সরকারের প্রতি আবেদন দ্রুত রাস্তাটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করুন।’
প্রসঙ্গতঃ ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউশিয়া বহুমুখী উন্নয়ন সমিতি মার্কেটের পেছনে যারা বসতি গড়ে তুলেছেন তারা মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ। শুরুতে বিক্ষিপ্তভাবে বসতি স্থাপন করলেও বর্তমানে এটি একটি সমৃদ্ধ গ্রাম যার নাম আব্দুল্লাহপুর। গত কয়েক বছর আগে স্থানীয়দের সম্মতিতে গ্রামের ভেতর দিয়ে ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি বরাদ্দে সমিতি মার্কেটের পেছন থেকে কায়সার হামিদের শ্বশুরবাড়ি পারুল ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশের কাজ শেষ হলেও অলিউল্লাহ তাঁতি এবং মজিবুর তাঁতি নামের দুই পরিবারের বাধায় ১০০ ফুট অংশের কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এই অংশটি দখল করে তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে থাকলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
/

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় রাস্তার দাবিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ ও তাঁর স্ত্রী লোপা কায়সার। উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে মাত্র ২ টি পরিবারের বাধায় রাস্তা নির্মাণ করতে না পারায় অন্তত ১০০টি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আব্দুল্লাহপুর-পুরান বাউশিয়া সড়কে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার জনপ্রিয় প্রয়াত কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের বাবা-মা।
মানববন্ধনে কায়সার হামিদ বলেন, ‘এটি আমার শ্বশুরবাড়ি এলাকা। এখানে একটি বৃদ্ধাশ্রম আছে, যা আমরা বর্তমানে বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করি। মাত্র দুটি পরিবারের আপত্তিতে ৭০০ ফুট রাস্তার ১০০ ফুট কাজ বাকি থাকায় আমরা সেখানে ঢুকতে পারছি না। আজ ১০০ পরিবার জিম্মি। কেউ মারা গেলে খাটিয়া বের করা যায় না, অসুস্থদের হাসপাতালে নেওয়া যায় না। আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়েছি, তিনি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’
কায়সার হামিদের স্ত্রী লোপা কায়সার বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার মেয়ে কারিনা মারা গেছে। অথচ এই রাস্তার অভাবে আমার মেয়ের লাশটি পর্যন্ত বাড়িতে নিতে পারিনি। আমরা জায়গার দাম দিয়ে জমি কিনে নিতে চাইলেও তারা রাজি হচ্ছে না। প্রাবাধ্য হয়ে জনগণের কথা চিন্তা করে আজকে আমরা এই গণকর্মসূচিতে নেমেছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন বলেন, ‘বাড়ি সামনে হওয়ায় দুজন লোক পেছনের প্রায় ১০০টি পরিবারের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। রাস্তার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করছি। সরকারের প্রতি আবেদন দ্রুত রাস্তাটি উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করুন।’
প্রসঙ্গতঃ ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউশিয়া বহুমুখী উন্নয়ন সমিতি মার্কেটের পেছনে যারা বসতি গড়ে তুলেছেন তারা মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ। শুরুতে বিক্ষিপ্তভাবে বসতি স্থাপন করলেও বর্তমানে এটি একটি সমৃদ্ধ গ্রাম যার নাম আব্দুল্লাহপুর। গত কয়েক বছর আগে স্থানীয়দের সম্মতিতে গ্রামের ভেতর দিয়ে ৭০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি বরাদ্দে সমিতি মার্কেটের পেছন থেকে কায়সার হামিদের শ্বশুরবাড়ি পারুল ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটির বেশিরভাগ অংশের কাজ শেষ হলেও অলিউল্লাহ তাঁতি এবং মজিবুর তাঁতি নামের দুই পরিবারের বাধায় ১০০ ফুট অংশের কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি এই অংশটি দখল করে তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে থাকলে বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
/

আপনার মতামত লিখুন