রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জমায়াতে ইসলামীর আমির মো. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকায় জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
এ সময়, চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিকাল এ্যাটাচে মি. রু কি উপস্থিত ছিলেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকে তিস্তা ব্যারেজ মহা পরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জমায়াতে ইসলামীর আমির মো. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকায় জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার সাথে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
এ সময়, চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের রাজনৈতিক সেকশনের পরিচালক ঝ্যাং জিং এবং পলিটিকাল এ্যাটাচে মি. রু কি উপস্থিত ছিলেন বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকে তিস্তা ব্যারেজ মহা পরিকল্পনা, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর এবং বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ও প্রস্তাবিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধান এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবর্তনে চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, উন্নয়ন সহযোগিতা, পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ে এই বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

আপনার মতামত লিখুন