সংবাদ

৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি চট্টগ্রামে, ডুবল বহু এলাকা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম

৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি চট্টগ্রামে, ডুবল বহু এলাকা
ছবি: সংগৃহীত

বন্দর নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। যা ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল এই বর্ষণে নগরীর বহু এলাকা তলিয়ে গেছে। রেলপথ ডুবে আটকা পড়েছে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসও।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। সেই হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, তবে ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রবল এই বর্ষণের মধ্যে জোয়ারের কারণে নগরীর আরও কিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। পানি উঠেছে অন্তত তিনটি সড়কে। নগরীর পোর্ট কানেকটিং সড়কের হালিশহর আবাসিক থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশ, অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘির পাড় অংশ এবং আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার সড়ক তলিয়ে গেছে।

এছাড়া কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোড, কাস্টম হাউজ, জামালখান বাই লেইন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচা বাজার, মৌলভীপাড়া ও কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।

নগরীর বেশির ভাগ খালের পানি উপচে সড়কে পানি চলে আসে। খালগুলোতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অধীনে নির্মিত স্লুইস গেটগুলো দুপুরে খুলে দেওয়া হয়।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা বলেন, 'বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি ১৯৮৩ সালের পর সর্বোচ্চ।'

অতি ভারী বৃষ্টিতে নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে। আর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে জমে থাকা পানিতে আটকা পড়ে প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন।

হাটহাজারী-অক্সিজেন রোডের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোমর সমান পানি জমে যায়। সেখানকার মূল সড়কে জমা পানিতে স্থানীয়রা জাল মেরে মাছ ধরতে দেখা গেছে।

বন্দর নগরীর আকাশ বেলা তিনটার পরও ছিল মেঘলা। বেলা সাড়ে তিনটায় আবারো মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


৪২ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি চট্টগ্রামে, ডুবল বহু এলাকা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

বন্দর নগরীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। যা ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। প্রবল এই বর্ষণে নগরীর বহু এলাকা তলিয়ে গেছে। রেলপথ ডুবে আটকা পড়েছে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেসও।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে ১৯৮৩ সালের ৪ আগস্ট ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫১১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছিল। সেই হিসাবে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ, তবে ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রবল এই বর্ষণের মধ্যে জোয়ারের কারণে নগরীর আরও কিছু এলাকা তলিয়ে গেছে। পানি উঠেছে অন্তত তিনটি সড়কে। নগরীর পোর্ট কানেকটিং সড়কের হালিশহর আবাসিক থেকে নয়া বাজার পর্যন্ত অংশ, অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বড় দিঘির পাড় অংশ এবং আরাকান সড়কের সিঅ্যান্ডবি ও মৌলভী পুকুর পাড় এলাকার সড়ক তলিয়ে গেছে।

এছাড়া কাতালগঞ্জ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, সিডিএ আবাসিক এলাকা, পাঁচলাইশ, কাপাসগোলা, চকবাজার, রামপুর, তিন পোলের মাথা, বাটালি রোড, কাস্টম হাউজ, জামালখান বাই লেইন, রহমতগঞ্জ, হালিশহর আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ বেপারীপাড়া কাঁচা বাজার, মৌলভীপাড়া ও কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে।

নগরীর বেশির ভাগ খালের পানি উপচে সড়কে পানি চলে আসে। খালগুলোতে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অধীনে নির্মিত স্লুইস গেটগুলো দুপুরে খুলে দেওয়া হয়।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ সুমন সাহা বলেন, 'বিকাল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি ১৯৮৩ সালের পর সর্বোচ্চ।'

অতি ভারী বৃষ্টিতে নগরীর পতেঙ্গা এলাকায় একটি বাইপাস সড়কের একাংশ ভেঙে পড়ে। আর দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ষোলশহর এলাকায় রেললাইনে জমে থাকা পানিতে আটকা পড়ে প্রায় সাড়ে ছয়শ যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন।

হাটহাজারী-অক্সিজেন রোডের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের বড় দিঘির পাড় এলাকায় কোমর সমান পানি জমে যায়। সেখানকার মূল সড়কে জমা পানিতে স্থানীয়রা জাল মেরে মাছ ধরতে দেখা গেছে।

বন্দর নগরীর আকাশ বেলা তিনটার পরও ছিল মেঘলা। বেলা সাড়ে তিনটায় আবারো মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত