রংপুর নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ার পাড়া এলাকায় অবস্থিত সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও হাসপাতালটিতে চিকিৎসক ও কর্মীদের খামখেয়ালিপনায় রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালের প্যাথলজি ও ফার্মেসি বিভাগে কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন না। কক্ষগুলোতে লাইট, ফ্যান ও এসি চললেও কোনো চিকিৎসক বা নার্সের দেখা মেলেনি। অথচ সকাল ৯টা থেকে আলমনগর ও সিও বাজারসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রসূতি মায়েরা চিকিৎসকের অপেক্ষায় আউটডোরে বসে ছিলেন।
ভুক্তভোগী মোসলেমা বেগম জানান, তাকে মঙ্গলবার সকালে আসতে বলা হলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোনো চিকিৎসকের দেখা পাননি। আরেক ভুক্তভোগী আঞ্জুমান আরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি ২৪ ঘণ্টার হাসপাতাল হলেও কয়েক মাস ধরে এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা মিলছে না। ডাক্তার-নার্সরা নিজেদের ইচ্ছামতো আসেন।’
হাসপাতালের কর্মচারীদের দাবি, সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন এখানে সেবা দেওয়া হয়। তবে এর কোনো লিখিত প্রমাণ তারা দেখাতে পারেননি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মেডিকেল অফিসার ডা. মারুফা বেগম চেম্বারে এলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। যদিও তিনি অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) থাকার দাবি করেন, কিন্তু ওই সময় ওটিতে কোনো রোগী ছিল না।
এ বিষয়ে রংপুর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি ছুটি ছাড়া এই হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা। নরমাল ডেলিভারি ও সিজারসহ সব সেবা নিয়মিত চলবে। দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
\

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
রংপুর নগরীর নিউ ইঞ্জিনিয়ার পাড়া এলাকায় অবস্থিত সরকারি মা ও শিশু কল্যাণ হাসপাতালে চিকিৎসার নামে চরম নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার কথা থাকলেও হাসপাতালটিতে চিকিৎসক ও কর্মীদের খামখেয়ালিপনায় রোগীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, দুপুর পৌনে ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালের প্যাথলজি ও ফার্মেসি বিভাগে কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন না। কক্ষগুলোতে লাইট, ফ্যান ও এসি চললেও কোনো চিকিৎসক বা নার্সের দেখা মেলেনি। অথচ সকাল ৯টা থেকে আলমনগর ও সিও বাজারসহ দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রসূতি মায়েরা চিকিৎসকের অপেক্ষায় আউটডোরে বসে ছিলেন।
ভুক্তভোগী মোসলেমা বেগম জানান, তাকে মঙ্গলবার সকালে আসতে বলা হলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত কোনো চিকিৎসকের দেখা পাননি। আরেক ভুক্তভোগী আঞ্জুমান আরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি ২৪ ঘণ্টার হাসপাতাল হলেও কয়েক মাস ধরে এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা মিলছে না। ডাক্তার-নার্সরা নিজেদের ইচ্ছামতো আসেন।’
হাসপাতালের কর্মচারীদের দাবি, সপ্তাহে মাত্র ৩ দিন এখানে সেবা দেওয়া হয়। তবে এর কোনো লিখিত প্রমাণ তারা দেখাতে পারেননি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মেডিকেল অফিসার ডা. মারুফা বেগম চেম্বারে এলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। যদিও তিনি অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) থাকার দাবি করেন, কিন্তু ওই সময় ওটিতে কোনো রোগী ছিল না।
এ বিষয়ে রংপুর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিহাব উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি ছুটি ছাড়া এই হাসপাতাল ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা। নরমাল ডেলিভারি ও সিজারসহ সব সেবা নিয়মিত চলবে। দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
\

আপনার মতামত লিখুন