থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। স্থানীয় সময় রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ব্যাংককের চাতুচাক জেলার ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামে একটি বারে মধ্যরাতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বারের ভেতর থেকে দাউ দাউ করে আগুনের শিখা বেরিয়ে আসছে। জীবন বাঁচাতে মানুষ হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ চিৎকার করছেন, আবার কেউ দৌড়াতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন। এ সময় অন্তত দুজনকে জ্বলন্ত অবস্থাতেই বার থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রুয়ামকাটানিউ ফাউন্ডেশন’-এর কর্মকর্তা আনওয়ুত ফো-আমপাই জানান, উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। ৬০ জনেরও বেশি মানুষ দগ্ধ ও আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুনের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থাইল্যান্ডের পর্যটনকেন্দ্রিক রাজধানী ব্যাংককে এটিকে অন্যতম ভয়াবহ ও বড় অগ্নিকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। স্থানীয় সময় রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ব্যাংককের চাতুচাক জেলার ‘রং বিয়ার না লাত ফ্রাও’ নামে একটি বারে মধ্যরাতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে (সাবেক টুইটার) ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বারের ভেতর থেকে দাউ দাউ করে আগুনের শিখা বেরিয়ে আসছে। জীবন বাঁচাতে মানুষ হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ চিৎকার করছেন, আবার কেউ দৌড়াতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন। এ সময় অন্তত দুজনকে জ্বলন্ত অবস্থাতেই বার থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকারী সংস্থা ‘রুয়ামকাটানিউ ফাউন্ডেশন’-এর কর্মকর্তা আনওয়ুত ফো-আমপাই জানান, উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯ জন পুরুষ এবং ১৮ জন নারী। ৬০ জনেরও বেশি মানুষ দগ্ধ ও আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুনের প্রকৃত উৎস সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না সাম্প্রতিক বছরগুলোতে থাইল্যান্ডের পর্যটনকেন্দ্রিক রাজধানী ব্যাংককে এটিকে অন্যতম ভয়াবহ ও বড় অগ্নিকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন