জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে একটি সংযোগ সড়কের কয়েকটি অংশ ভেঙে গেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) উত্তর সিরাজাবাদ থেকে দেওয়ানগঞ্জ-ইসলামপুর সংযোগ সড়কের এই বিপর্যয়ের ফলে সিরাজাবাদ এলাকার সঙ্গে ২ উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত যানবাহনের চালক ও হাজারো মানুষ।
সড়কটির বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যোগাযোগব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়া রোগী এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় আগে থেকেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছিল। অতিবৃষ্টিতে তা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি বলে তাদের অভিযোগ। দ্রুত স্থায়ী সংস্কার করা না হলে সড়কটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
সার্বিক বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে আপাতত জনদুর্ভোগ কমাতে বালুর বস্তা ও ড্রামশিট প্যালাসাইডিং দিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করার কাজ চলছে।
/

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে একটি সংযোগ সড়কের কয়েকটি অংশ ভেঙে গেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) উত্তর সিরাজাবাদ থেকে দেওয়ানগঞ্জ-ইসলামপুর সংযোগ সড়কের এই বিপর্যয়ের ফলে সিরাজাবাদ এলাকার সঙ্গে ২ উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত যানবাহনের চালক ও হাজারো মানুষ।
সড়কটির বিভিন্ন স্থান ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। যোগাযোগব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিপণ্য পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়া রোগী এবং স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় আগে থেকেই খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছিল। অতিবৃষ্টিতে তা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন প্রশাসনের কাছে বারবার দাবি জানিয়েও কোনো প্রতিকার মেলেনি বলে তাদের অভিযোগ। দ্রুত স্থায়ী সংস্কার করা না হলে সড়কটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
সার্বিক বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে আপাতত জনদুর্ভোগ কমাতে বালুর বস্তা ও ড্রামশিট প্যালাসাইডিং দিয়ে অস্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করার কাজ চলছে।
/

আপনার মতামত লিখুন