গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যা ও নদীভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বুবুলির চর ও খাটিয়ামারী চরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। গত কয়েক দিনে এই দুই চরের প্রায় ৪০০ পরিবার বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এই স্রোতে তাসের ঘরের মতো নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গাছপালা। বন্যাকবলিত অবস্থায় ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া পরিবারগুলো এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উঁচু রাস্তা কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন আরও কয়েক শ পরিবার।
ভুক্তভোগী আলম মোল্লা বলেন, ‘একদিকে ঘরে বন্যার পানি, অন্যদিকে নদীর ভাঙন। কোনোমতে জানটা নিয়ে ঘরবাড়ি ভেঙে চলে আসছি। এখন কোথায় যাব, কী খাব, তার কোনো ঠিক নেই।’
বন্যা ও ভাঙনের মুখে পড়া মানুষের মাঝে এখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ এবং জরুরি সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছে।
/

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় বন্যা ও নদীভাঙন পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের বুবুলির চর ও খাটিয়ামারী চরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। গত কয়েক দিনে এই দুই চরের প্রায় ৪০০ পরিবার বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এই স্রোতে তাসের ঘরের মতো নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গাছপালা। বন্যাকবলিত অবস্থায় ঘরবাড়ি সরিয়ে নেওয়া ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া পরিবারগুলো এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উঁচু রাস্তা কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন আরও কয়েক শ পরিবার।
ভুক্তভোগী আলম মোল্লা বলেন, ‘একদিকে ঘরে বন্যার পানি, অন্যদিকে নদীর ভাঙন। কোনোমতে জানটা নিয়ে ঘরবাড়ি ভেঙে চলে আসছি। এখন কোথায় যাব, কী খাব, তার কোনো ঠিক নেই।’
বন্যা ও ভাঙনের মুখে পড়া মানুষের মাঝে এখন খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ভাঙন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ এবং জরুরি সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন