অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট’ (FEBD)-এর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯০ টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রাহক ও সাব-এজেন্টের কাছ থেকে বিমানের টিকিটের অগ্রিম টাকা নিয়ে টিকিট সরবরাহ না করার অভিযোগে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গত ১১ জুলাই রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েমসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, পরিচালক আমির হামজা রশিদ শাহ নায়েম, এ কে এম শাহদাত হোসেন ও আব্দুল গণি মেহেদী, হেড অব ফাইন্যান্স মো. সাকীব হোসেন এবং সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী মোতাহের হোসেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিআইডির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের লোভ দেখিয়ে গ্রাহক ও সাব-এজেন্টদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অগ্রিম গ্রহণ করেছিল। এরপরই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম গত ১ আগস্ট দেশ ত্যাগ করেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট ও এফইবিডি (FEBD) উভয় নামেই ব্যাংকিং লেনদেন চলত। গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া টাকা কৌশলে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে সরিয়ে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে, এসব লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ সম্পদের উৎস ও মালিকানা গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
সিআইডি আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাইট এক্সপার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও কোম্পানির অন্য পরিচালক ও হেড অব ফাইন্যান্স বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে বড় অঙ্কের টাকা তুলে নিয়েছেন। আইএটিএ অনুমোদিত বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহের কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার পর টিকিট দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক সময় একটি টিকিটের বিপরীতে একাধিক উৎস থেকে টাকা নেওয়ার নজিরও পাওয়া গেছে। এসব প্রক্রিয়ায় প্রতারণার মাধ্যমে মোট ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯০ টাকা আত্মসাৎ ও তা রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ‘ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট’ (FEBD)-এর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯০ টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
গ্রাহক ও সাব-এজেন্টের কাছ থেকে বিমানের টিকিটের অগ্রিম টাকা নিয়ে টিকিট সরবরাহ না করার অভিযোগে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে গত ১১ জুলাই রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েমসহ মোট সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন: প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, পরিচালক আমির হামজা রশিদ শাহ নায়েম, এ কে এম শাহদাত হোসেন ও আব্দুল গণি মেহেদী, হেড অব ফাইন্যান্স মো. সাকীব হোসেন এবং সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী মোতাহের হোসেন। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিআইডির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, ২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের লোভ দেখিয়ে গ্রাহক ও সাব-এজেন্টদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অগ্রিম গ্রহণ করেছিল। এরপরই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম গত ১ আগস্ট দেশ ত্যাগ করেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, ফ্ল্যাইট এক্সপার্ট ও এফইবিডি (FEBD) উভয় নামেই ব্যাংকিং লেনদেন চলত। গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া টাকা কৌশলে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে সরিয়ে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে, এসব লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ সম্পদের উৎস ও মালিকানা গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
সিআইডি আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাইট এক্সপার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও কোম্পানির অন্য পরিচালক ও হেড অব ফাইন্যান্স বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে বড় অঙ্কের টাকা তুলে নিয়েছেন। আইএটিএ অনুমোদিত বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহের কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার পর টিকিট দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক সময় একটি টিকিটের বিপরীতে একাধিক উৎস থেকে টাকা নেওয়ার নজিরও পাওয়া গেছে। এসব প্রক্রিয়ায় প্রতারণার মাধ্যমে মোট ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯০ টাকা আত্মসাৎ ও তা রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন