নরসিংদীর পলাশ উপজেলার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বরাবরের মতো এবারও শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে সরকারি পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৬২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে ১৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ২৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে।
এর মধ্যে জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ থেকে ২১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৭ জনই বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৬ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। ফলাফলের এই হার পলাশ উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ। দীর্ঘদিন পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মাসুদ খান বলেন, ‘শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছি। আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলো- সাইফ উদ্দিন, রাইয়ান আফ্রাদ, আয়াত ইসলাম, মোহাম্মদ সাদ ইসলাম, এস কে ফাহিমা রাইসা, তানজিদা আলামিন নুহা, ফাতেহা, তাসফিয়া জান্নাত নুহা, জান্নাতুল ফেরদৌস তানহা, খাদিজা জাহান খুশবো ও মাসনুন আল আনুভা। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে- তাহফিম হাসান, মোহাম্মদ জাইন ভূঁইয়া, আব্দুল আলিম, অধিশ্রী দাস পৃথা, সামিয়া ইসলাম ও মোছা. মিথিলা।
বিদ্যালয়ের এই অভাবনীয় সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।
/

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বরাবরের মতো এবারও শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলা পর্যায়ে শীর্ষস্থান দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে সরকারি পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ৬২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি পর্যায়ে ট্যালেন্টপুলে ১৮ জন ও সাধারণ গ্রেডে ২৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে।
এর মধ্যে জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠ থেকে ২১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৭ জনই বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৬ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। ফলাফলের এই হার পলাশ উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ। দীর্ঘদিন পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।
সাফল্যের প্রতিক্রিয়ায় জনতা আদর্শ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক মাসুদ খান বলেন, ‘শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছি। আগামীতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলো- সাইফ উদ্দিন, রাইয়ান আফ্রাদ, আয়াত ইসলাম, মোহাম্মদ সাদ ইসলাম, এস কে ফাহিমা রাইসা, তানজিদা আলামিন নুহা, ফাতেহা, তাসফিয়া জান্নাত নুহা, জান্নাতুল ফেরদৌস তানহা, খাদিজা জাহান খুশবো ও মাসনুন আল আনুভা। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে- তাহফিম হাসান, মোহাম্মদ জাইন ভূঁইয়া, আব্দুল আলিম, অধিশ্রী দাস পৃথা, সামিয়া ইসলাম ও মোছা. মিথিলা।
বিদ্যালয়ের এই অভাবনীয় সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।
/

আপনার মতামত লিখুন