সংবাদ

ব্রহ্মপুত্রের বালুতে ৪ হাজার কোটি টাকার খনিজ


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ পিএম

ব্রহ্মপুত্রের বালুতে ৪ হাজার কোটি টাকার খনিজ
অস্ট্রেলীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গাইবান্ধায় খনিজ আহরণ শুরু। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান ভারী খনিজ বালু আহরণের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলীয় খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ‘এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড’ গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন চরে ইতিমধ্যে ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপন করে খনিজ পৃথকীকরণের কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, এই প্রকল্প থেকে অন্তত ৪ হাজার কোটি টাকার মূল্যবান খনিজ সম্পদ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

সরকারি সূত্র জানায়, গাইবান্ধার কামারজানি, গিদারি ও কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চল জুড়ে এই খনিজ ব্লকের অবস্থান। সরকারের খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) ৫ টি নির্দিষ্ট খনিজ আহরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ৭৯৯ হেক্টর বালুচর ইজারা দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত খনিজ সম্পদের ৪৩ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সরকার এবং বাকি ৫৭ শতাংশ পাবে এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড।

বর্তমানে কামারজানি বন্দরসংলগ্ন এলাকায় আধুনিক ‘মিনারেল সেপারেশন প্ল্যান্ট’-এর মাধ্যমে বালু থেকে ৫ টি মূল্যবান খনিজ আলাদা করা হচ্ছে। এগুলো হলো–জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট ও গারনেট।

এসব খনিজ সিরামিক, টাইলস, রং, প্লাস্টিক, কসমেটিকস, ওষুধ ও ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে টাইটানিয়াম ধাতু ও ওয়েল্ডিং রড তৈরিতে এসব খনিজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্প সফল হলে দেশের শিল্প খাতে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

প্রকল্পের নির্বাহী ইমরান আহমেদ জানান, পরীক্ষামূলক স্তর শেষ করে বর্তমানে পুরোদমে বালু সংগ্রহের কাজ চলছে। চরের এই খনিজ বালু থেকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


ব্রহ্মপুত্রের বালুতে ৪ হাজার কোটি টাকার খনিজ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র নদের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান ভারী খনিজ বালু আহরণের বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলীয় খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ‘এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড’ গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার বিভিন্ন চরে ইতিমধ্যে ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপন করে খনিজ পৃথকীকরণের কাজ শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশা, এই প্রকল্প থেকে অন্তত ৪ হাজার কোটি টাকার মূল্যবান খনিজ সম্পদ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

সরকারি সূত্র জানায়, গাইবান্ধার কামারজানি, গিদারি ও কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চল জুড়ে এই খনিজ ব্লকের অবস্থান। সরকারের খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি) ৫ টি নির্দিষ্ট খনিজ আহরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ৭৯৯ হেক্টর বালুচর ইজারা দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, উত্তোলিত খনিজ সম্পদের ৪৩ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ সরকার এবং বাকি ৫৭ শতাংশ পাবে এভারলাস্ট মিনারেলস লিমিটেড।

বর্তমানে কামারজানি বন্দরসংলগ্ন এলাকায় আধুনিক ‘মিনারেল সেপারেশন প্ল্যান্ট’-এর মাধ্যমে বালু থেকে ৫ টি মূল্যবান খনিজ আলাদা করা হচ্ছে। এগুলো হলো–জিরকন, রুটাইল, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট ও গারনেট।

এসব খনিজ সিরামিক, টাইলস, রং, প্লাস্টিক, কসমেটিকস, ওষুধ ও ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে টাইটানিয়াম ধাতু ও ওয়েল্ডিং রড তৈরিতে এসব খনিজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রকল্প সফল হলে দেশের শিল্প খাতে আমদানিনির্ভরতা কমবে এবং বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

প্রকল্পের নির্বাহী ইমরান আহমেদ জানান, পরীক্ষামূলক স্তর শেষ করে বর্তমানে পুরোদমে বালু সংগ্রহের কাজ চলছে। চরের এই খনিজ বালু থেকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত