হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হুমায়ুনুর রহমান লেখনের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় গত ২৯ জুন সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা ছিল। তবে মাধবপুর আলিম মাদ্রাসায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এ কাজের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি অর্থ খরচের বদলে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২৮ জুনের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশনা দিলেও অধ্যক্ষ তা মানেননি। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি পূর্বনির্ধারিত তারিখেই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি আদেশ অমান্য এবং অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে মাধবপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হুমায়ুনুর রহমান লেখনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
\

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের মাধবপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হুমায়ুনুর রহমান লেখনের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য, অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় গত ২৯ জুন সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা ছিল। তবে মাধবপুর আলিম মাদ্রাসায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি এ কাজের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি অর্থ খরচের বদলে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২৮ জুনের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে নেওয়ার নির্দেশনা দিলেও অধ্যক্ষ তা মানেননি। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তিনি পূর্বনির্ধারিত তারিখেই পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি আদেশ অমান্য এবং অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তারা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে মাধবপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হুমায়ুনুর রহমান লেখনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয় থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
\

আপনার মতামত লিখুন