সংবাদ

চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি 'কুঞ্জলতা'


প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম

চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি 'কুঞ্জলতা'
ফেরি 'কুঞ্জলতা'। ছবি : সংবাদ

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে চলাচলকারী ফেরি ‘কুঞ্জলতা’ মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এতে এই নৌপথে পারাপারের জন্য বর্তমানে একটিমাত্র ফেরি সচল থাকায় ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান, আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কুঞ্জলতা ফেরিটি ডকইয়ার্ডের উদ্দেশে চিলমারী ত্যাগ করে। বর্তমানে এই রুটে ‘কদম’ নামের একমাত্র ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

ফেরি কমে যাওয়ায় ঘাটে অপেক্ষার সময় বেড়েছে এবং এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা। সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন একটি ফেরি চলে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বাড়বে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।”

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, কুঞ্জলতা ফেরিটির সার্ভে সনদ হালনাগাদ ও ডকিং মেরামতের জন্য গতকাল সোমবার প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম এক চিঠিতে নির্দেশনা দেন। এই মেরামত কাজ শেষ হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে।

ঘাটের ইনচার্জ আকিব সোহেল আকাশ বলেন, “ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পৌঁছানোর পর আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন করব। একটি ফেরি দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


চিলমারী নদীবন্দর থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ফেরি 'কুঞ্জলতা'

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে চলাচলকারী ফেরি ‘কুঞ্জলতা’ মেরামতের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পাঠানো হয়। এতে এই নৌপথে পারাপারের জন্য বর্তমানে একটিমাত্র ফেরি সচল থাকায় ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী ফেরিঘাটের ইনচার্জ মো. আকিব সোহেল আকাশ জানান, আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে কুঞ্জলতা ফেরিটি ডকইয়ার্ডের উদ্দেশে চিলমারী ত্যাগ করে। বর্তমানে এই রুটে ‘কদম’ নামের একমাত্র ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।

ফেরি কমে যাওয়ায় ঘাটে অপেক্ষার সময় বেড়েছে এবং এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা। সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে পাথর নিয়ে আসা ট্রাকচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “আগেও ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন একটি ফেরি চলে যাওয়ায় অপেক্ষার সময় আরও বাড়বে। এতে সময় নষ্টের পাশাপাশি পরিবহন খরচও বেড়ে যাচ্ছে।”

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, কুঞ্জলতা ফেরিটির সার্ভে সনদ হালনাগাদ ও ডকিং মেরামতের জন্য গতকাল সোমবার প্রধান প্রকৌশলী মো. জিয়াউল ইসলাম এক চিঠিতে নির্দেশনা দেন। এই মেরামত কাজ শেষ হতে প্রায় ৩ মাস সময় লাগতে পারে।

ঘাটের ইনচার্জ আকিব সোহেল আকাশ বলেন, “ফেরিটি ডকইয়ার্ডে পৌঁছানোর পর আমরা বিকল্প ফেরির জন্য আবেদন করব। একটি ফেরি দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত