বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘৩০ গোডাউন’ এলাকা এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। প্রতিদিন বিকেল গড়াতেই নদীর পাড় জুড়ে নামছে মানুষের ঢল। মনোরম আবহাওয়ায় পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে বরিশাল নগরীসহ আশপাশের জেলার মানুষ এখানে ভিড় করছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ৩০ গোডাউন এলাকার খোলা জায়গা, নদীর পাড়ের বসার বেঞ্চ এবং ফুডকার্টগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। কেউ নদীর বাতাসে আড্ডায় মগ্ন, কেউবা দেখছেন লঞ্চ-নৌকার চলাচল। বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এখানে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে।
স্থানীয় চা-দোকানিরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যটকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। আগে সন্ধ্যার পর এলাকাটি ফাঁকা হয়ে যেত, এখন রাত ১০টা পর্যন্ত মানুষের আনাগোনা থাকে। বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালিজিরা থেকে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, “নদীর পাড়ে বসে আড্ডা আর ফুচকা খাওয়ার অনুভূতিই আলাদা। সতেজতার জন্য এখানে বারবার আসি।”
শ্রাবণী আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সারাদিন পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। বিকেলে একটু মানসিক প্রশান্তির জন্য নদীর তীরে ঘুরতে এসেছি।
নদীর প্রশস্ততা, সূর্যাস্তের দৃশ্য আর শীতল বাতাসের কারণে জায়গাটি অল্প সময়েই শহরের অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আলোকসজ্জা ও পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে আসার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও ভিড় সামলাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরিশাল জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক সাহিদুর রহমান জানান, প্রতিদিন ৪ জন এবং শুক্র-শনিবার ৫-৬ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে পুলিশ মাঠে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
/

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘৩০ গোডাউন’ এলাকা এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। প্রতিদিন বিকেল গড়াতেই নদীর পাড় জুড়ে নামছে মানুষের ঢল। মনোরম আবহাওয়ায় পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে বরিশাল নগরীসহ আশপাশের জেলার মানুষ এখানে ভিড় করছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ৩০ গোডাউন এলাকার খোলা জায়গা, নদীর পাড়ের বসার বেঞ্চ এবং ফুডকার্টগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। কেউ নদীর বাতাসে আড্ডায় মগ্ন, কেউবা দেখছেন লঞ্চ-নৌকার চলাচল। বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এখানে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে।
স্থানীয় চা-দোকানিরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে পর্যটকের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে। আগে সন্ধ্যার পর এলাকাটি ফাঁকা হয়ে যেত, এখন রাত ১০টা পর্যন্ত মানুষের আনাগোনা থাকে। বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালিজিরা থেকে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, “নদীর পাড়ে বসে আড্ডা আর ফুচকা খাওয়ার অনুভূতিই আলাদা। সতেজতার জন্য এখানে বারবার আসি।”
শ্রাবণী আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, সারাদিন পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। বিকেলে একটু মানসিক প্রশান্তির জন্য নদীর তীরে ঘুরতে এসেছি।
নদীর প্রশস্ততা, সূর্যাস্তের দৃশ্য আর শীতল বাতাসের কারণে জায়গাটি অল্প সময়েই শহরের অন্যতম প্রধান বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আলোকসজ্জা ও পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে আসার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও ভিড় সামলাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরিশাল জোনের ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক সাহিদুর রহমান জানান, প্রতিদিন ৪ জন এবং শুক্র-শনিবার ৫-৬ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকেন। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে পুলিশ মাঠে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন