নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল করতে পারেনি স্পেন কিংবা আর্জেন্টিনা। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে বলের দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখে স্পেন। প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে পুরো ম্যাচেই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ওপর চাপ বজায় রাখে ইউরোপিয়ানরা।
তবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের একের পর এক দুর্দান্ত সেভ স্পেনের গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেয়। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনা।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ৫২ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের রদ্রির ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের পর থেকে স্পেনের আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায়। লামিনে ইয়ামালের ড্রিবলিং এবং ফেরান তোরেস ও আয়মেরিক লাপোর্তের হেডসহ একাধিক আক্রমণ রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
অন্যদিকে, আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি ইনজুরি ও কৌশলের কারণে গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও রদ্রিগো ডি পলকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন।
ম্যাচের শেষদিকে নাটকীয়তায় মোড় নেয় পরিস্থিতি। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠে পাও কুবার্সির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করলে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সরাসরি লাল কার্ড দেখান আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজকে। দশ জনের দলে পরিণত হওয়ায় শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক লড়াইয়ে বাধ্য হয়।
এর আগে ৮২ মিনিটে প্রতিবাদ জানিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন এনজো। অতিরিক্ত চার মিনিট যোগ করা হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
এর আগে প্রথমার্ধে স্পেন তাদের পরিচিত পাসিং ফুটবল ও উচ্চ প্রেসিংয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে কোণঠাসা করে রাখে। লিওনেল মেসিকে স্প্যানিশরা পুরোপুরি নজরবন্দি করে রাখায় প্রথমার্ধে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বল স্পর্শ ছিল মাত্র ২২টি।
অন্যদিকে, লামিনে ইয়ামাল পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। প্রথমার্ধের বিরতিতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, শাকিরা ও বিটিএস সদস্যদের অংশগ্রহণে ৩০ মিনিটের একটি বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এখন এনজোর লাল কার্ডের কারণে দশ জনের আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে লড়ছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো গোল করতে পারেনি স্পেন কিংবা আর্জেন্টিনা। উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচে বলের দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখে স্পেন। প্রথমার্ধ থেকে শুরু করে পুরো ম্যাচেই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ওপর চাপ বজায় রাখে ইউরোপিয়ানরা।
তবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের একের পর এক দুর্দান্ত সেভ স্পেনের গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেয়। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি, যা ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে বিরল এক ঘটনা।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্পেন। ৫২ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের সঙ্গে স্পেনের রদ্রির ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের পর থেকে স্পেনের আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায়। লামিনে ইয়ামালের ড্রিবলিং এবং ফেরান তোরেস ও আয়মেরিক লাপোর্তের হেডসহ একাধিক আক্রমণ রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
অন্যদিকে, আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি ইনজুরি ও কৌশলের কারণে গঞ্জালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও রদ্রিগো ডি পলকে মাঠ থেকে তুলে নিতে বাধ্য হন।
ম্যাচের শেষদিকে নাটকীয়তায় মোড় নেয় পরিস্থিতি। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠে পাও কুবার্সির ওপর বিপজ্জনক ট্যাকল করলে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ সরাসরি লাল কার্ড দেখান আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজকে। দশ জনের দলে পরিণত হওয়ায় শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনা রক্ষণাত্মক লড়াইয়ে বাধ্য হয়।
এর আগে ৮২ মিনিটে প্রতিবাদ জানিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন এনজো। অতিরিক্ত চার মিনিট যোগ করা হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
এর আগে প্রথমার্ধে স্পেন তাদের পরিচিত পাসিং ফুটবল ও উচ্চ প্রেসিংয়ের মাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে কোণঠাসা করে রাখে। লিওনেল মেসিকে স্প্যানিশরা পুরোপুরি নজরবন্দি করে রাখায় প্রথমার্ধে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের বল স্পর্শ ছিল মাত্র ২২টি।
অন্যদিকে, লামিনে ইয়ামাল পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। প্রথমার্ধের বিরতিতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, শাকিরা ও বিটিএস সদস্যদের অংশগ্রহণে ৩০ মিনিটের একটি বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এখন এনজোর লাল কার্ডের কারণে দশ জনের আর্জেন্টিনা অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে লড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন