রাজধানীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। অভিযানে অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন ও অনুমোদনবিহীন হুটার ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন, অনুমোদনবিহীন হুটার ও অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী সরঞ্জাম ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
একই সঙ্গে চালক ও মালিকদের অপ্রয়োজনীয় হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) বলেন, শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নগরজীবনের জন্য একটি বড় হুমকি। তাই রাজধানীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দদূষণের কারণে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, বধিরতা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, কম ঘুম হওয়া, হৃদ্রোগ, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বিঘ্ন হওয়াসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। স্বল্পমেয়াদি শব্দদূষণ মানসিক চাপ সৃষ্টি করে; দীর্ঘমেয়াদি শব্দদূষণ শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতের ৪৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে প্রথমবার ১ মাস কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
শব্দদূষণের প্রধান উৎস যানবাহনের হর্ন, ইঞ্জিন ও চাকার কম্পন। এ ছাড়া নির্মাণকাজ, কলকারখানা, জেনারেটর এবং সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাইকিং শব্দদূষণ বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপ্রয়োজনীয় হর্ন বন্ধ করতে পারলেই ঢাকা শহরের ৬০ শতাংশ শব্দদূষণ কমে যাবে।
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানীতে জনবান্ধব, নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শব্দদূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
রাজধানীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। অভিযানে অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন ও অনুমোদনবিহীন হুটার ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন যানবাহনে অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন, অনুমোদনবিহীন হুটার ও অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টিকারী সরঞ্জাম ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।
একই সঙ্গে চালক ও মালিকদের অপ্রয়োজনীয় হর্ন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) বলেন, শব্দদূষণ জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নগরজীবনের জন্য একটি বড় হুমকি। তাই রাজধানীতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শব্দদূষণের কারণে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, বধিরতা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, কম ঘুম হওয়া, হৃদ্রোগ, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা বিঘ্ন হওয়াসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। স্বল্পমেয়াদি শব্দদূষণ মানসিক চাপ সৃষ্টি করে; দীর্ঘমেয়াদি শব্দদূষণ শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৫৫ ডেসিবেল এবং রাতের ৪৫ ডেসিবেল নির্ধারণ করা হয়েছে। আইন অমান্য করলে প্রথমবার ১ মাস কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং পরবর্তী অপরাধের জন্য ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
শব্দদূষণের প্রধান উৎস যানবাহনের হর্ন, ইঞ্জিন ও চাকার কম্পন। এ ছাড়া নির্মাণকাজ, কলকারখানা, জেনারেটর এবং সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাইকিং শব্দদূষণ বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপ্রয়োজনীয় হর্ন বন্ধ করতে পারলেই ঢাকা শহরের ৬০ শতাংশ শব্দদূষণ কমে যাবে।
ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানীতে জনবান্ধব, নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে শব্দদূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন