সংবাদ

ঢলে পুকুর-ডোবা উপচে চাষের মাছ জমিতে, শিকারে ধুম


প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)
প্রতিনিধি, মিঠাপুকুর (রংপুর)
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম

ঢলে পুকুর-ডোবা উপচে চাষের মাছ জমিতে, শিকারে ধুম
জমিতে মাছ ধরার ধুম পড়েছে। ছবি: সংবাদ

বর্ষার মৌসুমে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসজুড়ে টানা বৃষ্টিতে মাঠ-ঘাট, নদী-নালা, খাল, ডোবা পুকুরসহ হালের জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মিঠাপুকুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামের মানুষের মাঝে শুরু হয়েছে দেশীয় মাছ ধরার উৎসব।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়স্করা বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে নেমে পড়ছেন হালের জমি ও জলাবদ্ধ মাঠে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার পানিতে শিং, মাগুর, কৈ, টাকি, শোল, পুঁটি, গছি, টেংরা, নদী নালার মাছ ও পাকুরে খাল ডেবায় চাষ কার বিভিন্ন দেশীয় এবং বিদেশী প্রজাতির মাছ হালের জমিতে উঠে আসে। 

এসব মাছ ধরতে কেউ ব্যবহার করছেন খ্যাপলা জাল, চটকা, ফাঁসি, কেউ পলো, টেঁটা কিংবা হাতজাল। অনেকেই পরিবার পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাছ ধরা শুধু খাদ্যের জোগানই নয়, বরং এটি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্ষা এলেই এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। আর দেশীয় মাছ ধরার ধুম পড়ে।

গ্রামের প্রবীণদের মতে, আগের তুলনায় দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে গেলেও বর্ষাকালে এখনও হালের জমিতে মাছ ধরার এই ঐতিহ্য টিকে আছে। তারা আরও জানান জলাভূমি ও দেশীয় মাছের আবাসস্থল সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। 

প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে, বর্ষার এই মাছ ধরার দৃশ্য শুধু গ্রামীণ জীবনের আনন্দই নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬


ঢলে পুকুর-ডোবা উপচে চাষের মাছ জমিতে, শিকারে ধুম

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

বর্ষার মৌসুমে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসজুড়ে টানা বৃষ্টিতে মাঠ-ঘাট, নদী-নালা, খাল, ডোবা পুকুরসহ হালের জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মিঠাপুকুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামের মানুষের মাঝে শুরু হয়েছে দেশীয় মাছ ধরার উৎসব।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু, কিশোর, যুবক ও বয়স্করা বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে নেমে পড়ছেন হালের জমি ও জলাবদ্ধ মাঠে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার পানিতে শিং, মাগুর, কৈ, টাকি, শোল, পুঁটি, গছি, টেংরা, নদী নালার মাছ ও পাকুরে খাল ডেবায় চাষ কার বিভিন্ন দেশীয় এবং বিদেশী প্রজাতির মাছ হালের জমিতে উঠে আসে। 

এসব মাছ ধরতে কেউ ব্যবহার করছেন খ্যাপলা জাল, চটকা, ফাঁসি, কেউ পলো, টেঁটা কিংবা হাতজাল। অনেকেই পরিবার পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাছ ধরা শুধু খাদ্যের জোগানই নয়, বরং এটি গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বর্ষা এলেই এমন দৃশ্য গ্রামবাংলার চিরচেনা রূপকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। আর দেশীয় মাছ ধরার ধুম পড়ে।

গ্রামের প্রবীণদের মতে, আগের তুলনায় দেশীয় মাছের সংখ্যা কমে গেলেও বর্ষাকালে এখনও হালের জমিতে মাছ ধরার এই ঐতিহ্য টিকে আছে। তারা আরও জানান জলাভূমি ও দেশীয় মাছের আবাসস্থল সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। 

প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে, বর্ষার এই মাছ ধরার দৃশ্য শুধু গ্রামীণ জীবনের আনন্দই নয়, বরং বাংলার ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য ও প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত