মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতে যুবক সাগর আহমেদের (২৪) মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মাদক উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে এক অপরাধী চক্রের ভয়ভীতি ও তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর ডুবে সাগরের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনুকে (৪১) গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই রাতে সাগর আহমেদ তার বন্ধু শাহরিয়ার আলমকে নিয়ে চর ঘোস্তা খেয়াঘাট এলাকায় যান। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একটি চক্র তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়। সাগরের কাছে মাদক আছে–এমন অভিযোগ তুলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় চক্রটি। তাদের ভয়ভীতি ও তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে পাশের কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেন সাগর। নদীর মাঝখান থেকে স্থানীয় মাঝিরা তার চিৎকার শুনলেও অন্ধকারে তাকে খুঁজে পাননি। ঘটনার দুদিন পর ২৯ জুলাই নদী থেকে সাগরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে আরও জানা গেছে, সাগর নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর তার বন্ধু শাহরিয়ারকে জিম্মি করে রাখে চক্রটি। পরে পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পিবিআইর মতে, আসামিদের বেআইনিভাবে আটক, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণেই সাগরের সলিলসমাধি ঘটেছে। গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
/

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কালীগঙ্গা নদীতে যুবক সাগর আহমেদের (২৪) মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মাদক উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে এক অপরাধী চক্রের ভয়ভীতি ও তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর ডুবে সাগরের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি আনোয়ার হোসেন আনুকে (৪১) গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পিবিআই মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকা থেকে আনোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, গত ২৭ জুলাই রাতে সাগর আহমেদ তার বন্ধু শাহরিয়ার আলমকে নিয়ে চর ঘোস্তা খেয়াঘাট এলাকায় যান। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একটি চক্র তাদের আটক করে তল্লাশি চালায়। সাগরের কাছে মাদক আছে–এমন অভিযোগ তুলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায় চক্রটি। তাদের ভয়ভীতি ও তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে পাশের কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপ দেন সাগর। নদীর মাঝখান থেকে স্থানীয় মাঝিরা তার চিৎকার শুনলেও অন্ধকারে তাকে খুঁজে পাননি। ঘটনার দুদিন পর ২৯ জুলাই নদী থেকে সাগরের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
তদন্তে আরও জানা গেছে, সাগর নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর তার বন্ধু শাহরিয়ারকে জিম্মি করে রাখে চক্রটি। পরে পরিবারের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে এবং কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পিবিআইর মতে, আসামিদের বেআইনিভাবে আটক, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণেই সাগরের সলিলসমাধি ঘটেছে। গ্রেপ্তার আনোয়ার হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
/

আপনার মতামত লিখুন