কেরাণীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির একটি কারখানা শনাক্ত করেছে র্যাব-১০। ইয়াবা, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন তিন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত প্রায় ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পায় র্যাব-১০।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে- ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (আনুমানিক বাজার মূল্য ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা), ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন ধরনের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, ইয়াবা তৈরির যন্ত্রপাতি, ৫টি মোবাইল ফোন ও ১টি ওজন পরিমাপক যন্ত্র।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০) রাজধানীর বংশাল থানার চাঙ্গেরপুল এলাকায় থাকতেন। তিনি রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় তিনটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মো. আলী আরমান (৩৬) মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোড এলাকার বাসিন্দা। মো. শাহজাহান (৪০) সাভার থানার বাসিন্দা এবং সোনিয়া (৩০) আদাবর থানার রিংরোড এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেরাই ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে ইয়াবা উৎপাদন করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছিল। উদ্ধারকৃত মালামালসহ গ্রেপ্তারকৃতদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি। এটি যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব জানিয়েছে, তারা ‘মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাসী এবং মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
কেরাণীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির একটি কারখানা শনাক্ত করেছে র্যাব-১০। ইয়াবা, কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন তিন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত প্রায় ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন মধ্যচর দক্ষিণ বালুরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান পায় র্যাব-১০।
অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে- ১ হাজার ৯৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট (আনুমানিক বাজার মূল্য ৫ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ টাকা), ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন ধরনের পাউডার সদৃশ কাঁচামাল, ইয়াবা তৈরির যন্ত্রপাতি, ৫টি মোবাইল ফোন ও ১টি ওজন পরিমাপক যন্ত্র।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. আলমগীর ওরফে আন্ডে (৪০) রাজধানীর বংশাল থানার চাঙ্গেরপুল এলাকায় থাকতেন। তিনি রামপুরা, কামরাঙ্গীরচর ও মোহাম্মদপুর থানায় তিনটি মাদক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। মো. আলী আরমান (৩৬) মোহাম্মদপুর থানার বাবর রোড এলাকার বাসিন্দা। মো. শাহজাহান (৪০) সাভার থানার বাসিন্দা এবং সোনিয়া (৩০) আদাবর থানার রিংরোড এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেরাই ইয়াবা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করে ইয়াবা উৎপাদন করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছিল। উদ্ধারকৃত মালামালসহ গ্রেপ্তারকৃতদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ হুমকি। এটি যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব জানিয়েছে, তারা ‘মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাসী এবং মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন