গতকালের পত্রিকাজুড়ে দেশ-বিদেশের বিচিত্র খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে দুটো খবরের ওপর বিশেষ নজর পড়লো। একটা দেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব রুনা লায়লার প্রচ্ছন্ন ক্ষোভ প্রকাশ এবং অপরটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দীন চুপ্পুর পদত্যাগ পত্রের লেখায় অসংখ্য বানান ভুল। দুটো সংবাদই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হলো। তবে বানানের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই বেশি স্থান করে নিয়েছে।
রুনা লায়লা উপমহাদেশের সংগীতের এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। বাংলাদেশ এবং বাঙালির অহংকার বললেও অত্যুক্তি হবে না। এদেশে জন্মগ্রহণ করলেও তার শৈশব কেটেছে পাকিস্তানে। স্বাধীনতার পরে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। জন্মভূমির প্রতি তার রয়েছে প্রগাঢ় অনুভূতি এবং ভালোবাসা। যা তার বিভিন্ন সময়ের দেয়া সাক্ষাৎকারে অকপটে প্রকাশিত। তাকে বিশেষ কোনো বিশেষণ দিয়ে বর্ণনা করা যাবে বলে মনে হয় না। ছয় দশকের বেশি তার সংগীত জীবনের সময়কাল। নানা ধরনের গান, নানা ভাষায় গেয়ে দুনিয়াজুড়ে বিপুল খ্যাতি পেয়েছেন। বলা হয়, ১৮টি ভাষায় ১৩ হাজারের বেশি গান তার কণ্ঠে গীত হয়েছে। তাকে নিয়ে গর্ব করার মতন অগণিত গল্প আছে। সুরের রানী হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে তার সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে।
২.
জানা যায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি গতকালই তাঁকে প্রথমবারের মতন আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করে। একইসাথে শ্রাবণের বৃষ্টিস্নাত সায়াহ্নে তার একক সংগীতানুষ্টানের আয়োজন করে শিল্পকলা একাডেমি। এতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে ‘রুনার গানে ভিজল শ্রাবণসন্ধ্যা’। একপর্যায়ে মিডিয়ার সামনে তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ‘নিজের দেশের শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত আয়োজন করতে আমাকে ৬২ বছর অপেক্ষা করতে হলো'। এটা এমন একজন প্রতিভাবান, গুণী সংগীত শিল্পীর জন্যে মোটেও কাঙ্খিত নয়। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুরনো শিল্পকলায় তিনি ইতোপূর্বে সংগীত পরিবেশন করলেও তার একক আয়োজন এ-ই প্রথম। আরও জানা যায়, তার এই একক সংগীতানুষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ সম্প্রতিকালের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
এমন আয়োজনকে তিনি তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল বলেও বিবেচনা করেছেন। রুনা লায়লা বরাবরই খুব রসাত্মক ও উইটি ভাষায় কথা বলেন। যা দর্শক শ্রোতাকে দ্রুত সংযোগ করে করতে পারে। শিল্পকলায়ও এর ব্যতিক্রম কিছু হয়নি। তবে প্রশ্ন হলো, তাকে নিয়ে একক সংগীতানুষ্ঠান না হওয়ার পেছনে কী কোনো রহস্য আছে? যেখানে শিল্প কলায় বিদেশি শিল্পীদেরও একক অনুষ্ঠান হয়েছে। ভক্তরা মনে করেন এটা সরকারের পক্ষ থেকে অবহেলা বা অবজ্ঞা নয় বরং অতীতে সুবিধাজনক সময় না হওয়ায় আসল কারণ। শিল্পী নিজেও সারাবছর ধরে বিদেশে নানাবিধ সংগঠনের আমন্ত্রণে থাকায় হয়তো হয়ে ওঠেনি। তাছাড়া শিল্পী রুনা লায়লার শিডিউল, সম্মতি এবং সংস্থার সিদ্ধান্ত সবমিলিয়ে হয়তো সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য যে, ইচ্ছে করলেই শিল্পী রুনা লায়লাকে যেকোনো সময়ে এমনকি জাতীয় প্রোগ্রামেও আনা সম্ভব হয় না।
৩.
এ প্রসঙ্গে বলা যায়, ২০১০ সালে প্রথম দিকে অফিসার্স ক্লাব ঢাকার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শিল্পী রুনা লায়লাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মিলনমেলা হয়েছিল। ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেকের আয়োজন ছিল।
এতে আরও কয়েকজন শিল্পীর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনও ছিলেন। অনেক ধরনের গান হয়েছে। রাতের প্রহরও ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে। সবশেষে মাইক্রোফোনে ঘোষণা হল এবারের শিল্পী দেশের সেরা লিজেন্ড রুনা লায়লা। তার গান শুরুর শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ এলো। সবাই নড়েচড়ে বসেছেন। শিল্পীর কণ্ঠসুধায় সিক্ত হবেন। মনে আছে, গান শুরুর আগে দুয়েকটা কথা বলার সময় তিনি লক্ষ করলেন, শ্রোতাদের পেছনের সারিগুলোতে টুংটাং শব্দ হচ্ছে। তখন কেউ কেউ খাবারে হাত লাগাচ্ছেন। তাদের দাবি, তারা ডায়াবেটিসের রোগী। কিছু খেতে হবে, বেশি অপেক্ষা করতে পারছিলেন না। কাজেই খেতে খেতেই গান শুনবেন।
শিল্পী রুনা লায়লা এটাকে তার প্রতি এক ধরনের অসম্মান প্রদর্শন বলে মনে করেছেন এবং কালবিলম্ব না করে মঞ্চ থেকে নেমে সোজা বাসায়। সেদিন তার পেছনে বেশ ক'জন সিনিয়র কর্মকর্তা ক্লাবের সিংহ দুয়ার পর্যন্ত দৌড়ালেন। না, কাজ হল না। তাকে ফেরানো গেল না। ফেরানো যায়নি। এর নাম রুনা লায়লা।
৪.
দ্বিতীয় বিষয় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পত্রে ১৬টি বানান ভুল। সব কাজ ফেলে যারা এটা আবিষ্কার করেছেন, একে স্রেফ বাড়াবাড়ি হয়েছে বলতে হবে। নতুন শুদ্ধ বানান রীতিতে তিনটা বানান ভিন্নতর হয়েছে। তাছাড়া ইংরেজি শব্দকে বাংলায় লিখতে গেলে যেটাকে ভুল ধরা হয়েছে সেটা গর্হিত কিছু নয়।
মনে হয়, সবকিছুতে ভুল ধরা, সন্দেহ করা, অধৈর্য হওয়ার একটা মারাত্মক প্রবণতার ভেতর দিয়ে চলেছে দেশ। সবাইকে আরও সহনশীল সংবেদনশীল হওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। সাধারণ মানুষকেও বিদ্যমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অধিকতর মহৎ ও জনকল্যাণমুখী কাজে ব্যবহার করতে হবে। এবিষয়ে গ্রামে-গঞ্জে সামাজিক শিক্ষা ও গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করার সময় এসেছে। যা শিক্ষণীয় হবে, মাদক বিরোধী হবে বা যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করে তোলার প্ল্যাটফর্ম হবে। অন্যথায় অন্তত ফেইসবুক মাধ্যমটি বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্যে সুফল নয় বরং একদিন অসহনীয় কুফল নিয়ে আসবে।
[লেখক: গল্পকার]

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
গতকালের পত্রিকাজুড়ে দেশ-বিদেশের বিচিত্র খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে দুটো খবরের ওপর বিশেষ নজর পড়লো। একটা দেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব রুনা লায়লার প্রচ্ছন্ন ক্ষোভ প্রকাশ এবং অপরটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দীন চুপ্পুর পদত্যাগ পত্রের লেখায় অসংখ্য বানান ভুল। দুটো সংবাদই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হলো। তবে বানানের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই বেশি স্থান করে নিয়েছে।
রুনা লায়লা উপমহাদেশের সংগীতের এক জীবন্ত কিংবদন্তির নাম। বাংলাদেশ এবং বাঙালির অহংকার বললেও অত্যুক্তি হবে না। এদেশে জন্মগ্রহণ করলেও তার শৈশব কেটেছে পাকিস্তানে। স্বাধীনতার পরে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। জন্মভূমির প্রতি তার রয়েছে প্রগাঢ় অনুভূতি এবং ভালোবাসা। যা তার বিভিন্ন সময়ের দেয়া সাক্ষাৎকারে অকপটে প্রকাশিত। তাকে বিশেষ কোনো বিশেষণ দিয়ে বর্ণনা করা যাবে বলে মনে হয় না। ছয় দশকের বেশি তার সংগীত জীবনের সময়কাল। নানা ধরনের গান, নানা ভাষায় গেয়ে দুনিয়াজুড়ে বিপুল খ্যাতি পেয়েছেন। বলা হয়, ১৮টি ভাষায় ১৩ হাজারের বেশি গান তার কণ্ঠে গীত হয়েছে। তাকে নিয়ে গর্ব করার মতন অগণিত গল্প আছে। সুরের রানী হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে তার সমান জনপ্রিয়তা রয়েছে।
২.
জানা যায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি গতকালই তাঁকে প্রথমবারের মতন আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা প্রদান করে। একইসাথে শ্রাবণের বৃষ্টিস্নাত সায়াহ্নে তার একক সংগীতানুষ্টানের আয়োজন করে শিল্পকলা একাডেমি। এতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে ‘রুনার গানে ভিজল শ্রাবণসন্ধ্যা’। একপর্যায়ে মিডিয়ার সামনে তিনি তার প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ‘নিজের দেশের শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত আয়োজন করতে আমাকে ৬২ বছর অপেক্ষা করতে হলো'। এটা এমন একজন প্রতিভাবান, গুণী সংগীত শিল্পীর জন্যে মোটেও কাঙ্খিত নয়। তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুরনো শিল্পকলায় তিনি ইতোপূর্বে সংগীত পরিবেশন করলেও তার একক আয়োজন এ-ই প্রথম। আরও জানা যায়, তার এই একক সংগীতানুষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ সম্প্রতিকালের বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
এমন আয়োজনকে তিনি তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শামিল বলেও বিবেচনা করেছেন। রুনা লায়লা বরাবরই খুব রসাত্মক ও উইটি ভাষায় কথা বলেন। যা দর্শক শ্রোতাকে দ্রুত সংযোগ করে করতে পারে। শিল্পকলায়ও এর ব্যতিক্রম কিছু হয়নি। তবে প্রশ্ন হলো, তাকে নিয়ে একক সংগীতানুষ্ঠান না হওয়ার পেছনে কী কোনো রহস্য আছে? যেখানে শিল্প কলায় বিদেশি শিল্পীদেরও একক অনুষ্ঠান হয়েছে। ভক্তরা মনে করেন এটা সরকারের পক্ষ থেকে অবহেলা বা অবজ্ঞা নয় বরং অতীতে সুবিধাজনক সময় না হওয়ায় আসল কারণ। শিল্পী নিজেও সারাবছর ধরে বিদেশে নানাবিধ সংগঠনের আমন্ত্রণে থাকায় হয়তো হয়ে ওঠেনি। তাছাড়া শিল্পী রুনা লায়লার শিডিউল, সম্মতি এবং সংস্থার সিদ্ধান্ত সবমিলিয়ে হয়তো সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য যে, ইচ্ছে করলেই শিল্পী রুনা লায়লাকে যেকোনো সময়ে এমনকি জাতীয় প্রোগ্রামেও আনা সম্ভব হয় না।
৩.
এ প্রসঙ্গে বলা যায়, ২০১০ সালে প্রথম দিকে অফিসার্স ক্লাব ঢাকার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শিল্পী রুনা লায়লাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেদিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মিলনমেলা হয়েছিল। ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেকের আয়োজন ছিল।
এতে আরও কয়েকজন শিল্পীর মধ্যে সাবিনা ইয়াসমিনও ছিলেন। অনেক ধরনের গান হয়েছে। রাতের প্রহরও ধীরে ধীরে বেড়ে চলেছে। সবশেষে মাইক্রোফোনে ঘোষণা হল এবারের শিল্পী দেশের সেরা লিজেন্ড রুনা লায়লা। তার গান শুরুর শুভ মাহেন্দ্রক্ষণ এলো। সবাই নড়েচড়ে বসেছেন। শিল্পীর কণ্ঠসুধায় সিক্ত হবেন। মনে আছে, গান শুরুর আগে দুয়েকটা কথা বলার সময় তিনি লক্ষ করলেন, শ্রোতাদের পেছনের সারিগুলোতে টুংটাং শব্দ হচ্ছে। তখন কেউ কেউ খাবারে হাত লাগাচ্ছেন। তাদের দাবি, তারা ডায়াবেটিসের রোগী। কিছু খেতে হবে, বেশি অপেক্ষা করতে পারছিলেন না। কাজেই খেতে খেতেই গান শুনবেন।
শিল্পী রুনা লায়লা এটাকে তার প্রতি এক ধরনের অসম্মান প্রদর্শন বলে মনে করেছেন এবং কালবিলম্ব না করে মঞ্চ থেকে নেমে সোজা বাসায়। সেদিন তার পেছনে বেশ ক'জন সিনিয়র কর্মকর্তা ক্লাবের সিংহ দুয়ার পর্যন্ত দৌড়ালেন। না, কাজ হল না। তাকে ফেরানো গেল না। ফেরানো যায়নি। এর নাম রুনা লায়লা।
৪.
দ্বিতীয় বিষয় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পত্রে ১৬টি বানান ভুল। সব কাজ ফেলে যারা এটা আবিষ্কার করেছেন, একে স্রেফ বাড়াবাড়ি হয়েছে বলতে হবে। নতুন শুদ্ধ বানান রীতিতে তিনটা বানান ভিন্নতর হয়েছে। তাছাড়া ইংরেজি শব্দকে বাংলায় লিখতে গেলে যেটাকে ভুল ধরা হয়েছে সেটা গর্হিত কিছু নয়।
মনে হয়, সবকিছুতে ভুল ধরা, সন্দেহ করা, অধৈর্য হওয়ার একটা মারাত্মক প্রবণতার ভেতর দিয়ে চলেছে দেশ। সবাইকে আরও সহনশীল সংবেদনশীল হওয়ার ওপর জোর দিতে হবে। সাধারণ মানুষকেও বিদ্যমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অধিকতর মহৎ ও জনকল্যাণমুখী কাজে ব্যবহার করতে হবে। এবিষয়ে গ্রামে-গঞ্জে সামাজিক শিক্ষা ও গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করার সময় এসেছে। যা শিক্ষণীয় হবে, মাদক বিরোধী হবে বা যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করে তোলার প্ল্যাটফর্ম হবে। অন্যথায় অন্তত ফেইসবুক মাধ্যমটি বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্যে সুফল নয় বরং একদিন অসহনীয় কুফল নিয়ে আসবে।
[লেখক: গল্পকার]

আপনার মতামত লিখুন