ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একে ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করে। তবে নাগরিক সমাজ একে সুপরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশিষ্ট নাগরিকদের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষীদের শাস্তি ও ভাস্কর্যটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।
গত ১৩ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত দফায় দফায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরের সৌন্দর্য ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ চলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দিনের আলোতে একদল শ্রমিক এই ভাঙচুর চালালেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ছিল। এমনকি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের আগপর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে চাপের মুখে জেলা প্রশাসন ভাঙার কাজ স্থগিত করে।
বুধবার (৫ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসা মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ‘একটি সড়ক দুর্ঘটনার অজুহাত দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা জানতে চাই, কার নির্দেশে এবং কেন এই ভাস্কর্যটি অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘প্রশাসন যদি অপরাধীদের আড়াল করতে চায়, তবে তা হবে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। স্বাধীনতার মাসে বীরশ্রেষ্ঠের অবমাননা জাতি মেনে নেবে না।’
প্রতিনিধিদলটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করেছে: অবিলম্বে ভাস্কর্যটি আগের জায়গায় স্থাপন করা, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মুক্তিযুদ্ধের সব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে কারা এর নেপথ্যে ছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো পরিষ্কার তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পর ঝিনাইদহসহ সারাদেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনায় তোলপাড় শুরু হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একে ‘সড়ক দুর্ঘটনা’ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করে। তবে নাগরিক সমাজ একে সুপরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশিষ্ট নাগরিকদের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দোষীদের শাস্তি ও ভাস্কর্যটি দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।
গত ১৩ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত দফায় দফায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান চত্বরের সৌন্দর্য ও ভাস্কর্য ভাঙার কাজ চলে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দিনের আলোতে একদল শ্রমিক এই ভাঙচুর চালালেও প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব ছিল। এমনকি বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের আগপর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে চাপের মুখে জেলা প্রশাসন ভাঙার কাজ স্থগিত করে।
বুধবার (৫ আগস্ট) ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসা মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, ‘একটি সড়ক দুর্ঘটনার অজুহাত দিয়ে বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য ভাঙার বিষয়টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা জানতে চাই, কার নির্দেশে এবং কেন এই ভাস্কর্যটি অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, ‘প্রশাসন যদি অপরাধীদের আড়াল করতে চায়, তবে তা হবে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। স্বাধীনতার মাসে বীরশ্রেষ্ঠের অবমাননা জাতি মেনে নেবে না।’
প্রতিনিধিদলটি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করেছে: অবিলম্বে ভাস্কর্যটি আগের জায়গায় স্থাপন করা, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মুক্তিযুদ্ধের সব স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে কারা এর নেপথ্যে ছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো পরিষ্কার তথ্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনার পর ঝিনাইদহসহ সারাদেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন