ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মাত্র ১২ হাজার টাকা সুদে দিয়ে ফাঁকা
চেকে ১৩ লাখ টাকা বসিয়ে মামলার অভিযোগে আলোচিত দাদন ব্যবসায়ী খাদেমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের শিধোর বাজার এলাকা থেকে
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে
পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানোর ইউনিয়নের দিনমজুর উত্তম
কুমার রায় তিন বছর আগে অভাবের তাড়নায় খাদেমুলের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা ধার নেন। পরে
সুদে-আসলে সেই টাকা পরিশোধ করলেও জামানত হিসেবে দেওয়া স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ফেরত
দেননি খাদেমুল। উল্টো সেই চেকে ১৩ লাখ টাকা বসিয়ে উত্তমের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা
করেন তিনি। সেই মামলা লড়তে গিয়ে বসতভিটা হারিয়ে আজ নিঃস্ব ওই দিনমজুর।
অভিযোগ রয়েছে, খাদেমুলের এমন শোষণের শিকার হয়ে ওই এলাকার অন্তত
৪০ থেকে ৫০টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। খাদেমুল কৌশলে ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকে নিয়ে হিসাব
খুলে দিতেন এবং স্বাক্ষর করা চেকে নিজের ইচ্ছামতো অঙ্ক বসিয়ে মামলা করে হয়রানি করতেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম
বলেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। অবৈধ ও শোষণমূলক দাদন
ব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে খাদেমুলের গ্রেপ্তারে এলাকায়
স্বস্তি ফিরে এসেছে। ভুক্তভোগীরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে মাত্র ১২ হাজার টাকা সুদে দিয়ে ফাঁকা
চেকে ১৩ লাখ টাকা বসিয়ে মামলার অভিযোগে আলোচিত দাদন ব্যবসায়ী খাদেমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের শিধোর বাজার এলাকা থেকে
তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে
পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভানোর ইউনিয়নের দিনমজুর উত্তম
কুমার রায় তিন বছর আগে অভাবের তাড়নায় খাদেমুলের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা ধার নেন। পরে
সুদে-আসলে সেই টাকা পরিশোধ করলেও জামানত হিসেবে দেওয়া স্বাক্ষর করা ফাঁকা চেক ফেরত
দেননি খাদেমুল। উল্টো সেই চেকে ১৩ লাখ টাকা বসিয়ে উত্তমের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা
করেন তিনি। সেই মামলা লড়তে গিয়ে বসতভিটা হারিয়ে আজ নিঃস্ব ওই দিনমজুর।
অভিযোগ রয়েছে, খাদেমুলের এমন শোষণের শিকার হয়ে ওই এলাকার অন্তত
৪০ থেকে ৫০টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। খাদেমুল কৌশলে ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকে নিয়ে হিসাব
খুলে দিতেন এবং স্বাক্ষর করা চেকে নিজের ইচ্ছামতো অঙ্ক বসিয়ে মামলা করে হয়রানি করতেন।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম
বলেন, বিষয়টি গণমাধ্যমে আসার পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। অবৈধ ও শোষণমূলক দাদন
ব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে খাদেমুলের গ্রেপ্তারে এলাকায়
স্বস্তি ফিরে এসেছে। ভুক্তভোগীরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন