সংবাদ

সংবর্ধনায় নেই ‘জুলাই যোদ্ধা’, বিএনপির বর্জন


প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: ৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

সংবর্ধনায় নেই ‘জুলাই যোদ্ধা’, বিএনপির বর্জন
ছবি : সংবাদ

পটুয়াখালীর দুমকিতে ‘জুলাই বিপ্লবের’ যোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছে উপজেলা বিএনপি। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রকৃত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ উপস্থিত ছিলেন না বলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন প্রকৃত যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করে নামমাত্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া আমিনুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম ইফতি ও সারমিন আক্তার স্বর্না ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই বিপ্লবের সময় তারা রাজপথে থেকে সম্মুখ লড়াই করেছেন। কিন্তু সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের মতো সক্রিয়দের পাশ কাটিয়ে প্রশাসন নিজেদের সুবিধামতো তালিকা তৈরি করেছে। বর্তমান প্রশাসনের কাছ থেকে এমন অবমূল্যায়ন তারা প্রত্যাশা করেননি।

দুমকি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখি রাজপথ কাঁপানো প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের কাউকে দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসনের কাছে তালিকা দেখতে চাইলে তারা কেবল কয়েকজন আহতের তালিকা দেখান। আমাদের প্রশ্ন হলো-আন্দোলনে তো সবাই আহত হননি, যারা সামনের সারিতে থেকে লড়াই করে সফল হয়েছেন, তাদের কেন ডাকা হলো না? এই অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে আমরা অনুষ্ঠান বয়কট করেছি।’

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাধারণ মহলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬


সংবর্ধনায় নেই ‘জুলাই যোদ্ধা’, বিএনপির বর্জন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর দুমকিতে ‘জুলাই বিপ্লবের’ যোদ্ধাদের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছে উপজেলা বিএনপি। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রকৃত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ উপস্থিত ছিলেন না বলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপজেলা প্রশাসন প্রকৃত যোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করে নামমাত্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া আমিনুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম ইফতি ও সারমিন আক্তার স্বর্না ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জুলাই বিপ্লবের সময় তারা রাজপথে থেকে সম্মুখ লড়াই করেছেন। কিন্তু সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাদের মতো সক্রিয়দের পাশ কাটিয়ে প্রশাসন নিজেদের সুবিধামতো তালিকা তৈরি করেছে। বর্তমান প্রশাসনের কাছ থেকে এমন অবমূল্যায়ন তারা প্রত্যাশা করেননি।

দুমকি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখি রাজপথ কাঁপানো প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের কাউকে দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসনের কাছে তালিকা দেখতে চাইলে তারা কেবল কয়েকজন আহতের তালিকা দেখান। আমাদের প্রশ্ন হলো-আন্দোলনে তো সবাই আহত হননি, যারা সামনের সারিতে থেকে লড়াই করে সফল হয়েছেন, তাদের কেন ডাকা হলো না? এই অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে আমরা অনুষ্ঠান বয়কট করেছি।’

এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সাধারণ মহলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত