বিজ্ঞান ও শিক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ এর সপ্তম সংস্করণ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রাশিয়ার মুরমানস্ক বন্দর থেকে একটি পরমাণুচালিত বরফভাঙা জাহাজ উত্তর মেরুর উদ্দেশে যাত্রা করেছে। এবারের অভিযানের রুট মুরমানস্ক-উত্তর মেরু-ফ্রাঞ্জ জোসেফ ল্যান্ড-মুরমানস্ক।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি রাশিয়ার বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রতিযোগিতা এবং অলিম্পিয়াডের বিজয়ীরাও এতে যুক্ত হয়েছেন।
এবারের অভিযানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন শিক্ষার্থী মো. মালেকুল সালেহিন প্রত্যয়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি বিশ্বের ২৩টি দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই শিক্ষামূলক অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
আয়োজকদের মতে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, আর্কটিক অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।
রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, আর্কটিক এমন একটি অঞ্চল, যেখানে সাহসী ধারণা ও বড় পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়। তার ভাষ্য, বিশ্বের একমাত্র পরমাণুচালিত বরফভাঙা জাহাজের বহর ব্যবহার করে তরুণদের জন্য এমন অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করতে পেরে রোসাটম গর্বিত।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
বিজ্ঞান ও শিক্ষাবিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ‘আইসব্রেকার অব নলেজ’ এর সপ্তম সংস্করণ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে রাশিয়ার মুরমানস্ক বন্দর থেকে একটি পরমাণুচালিত বরফভাঙা জাহাজ উত্তর মেরুর উদ্দেশে যাত্রা করেছে। এবারের অভিযানের রুট মুরমানস্ক-উত্তর মেরু-ফ্রাঞ্জ জোসেফ ল্যান্ড-মুরমানস্ক।
রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত পারমাণবিক শক্তি প্রতিষ্ঠান রোসাটমের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারীদের পাশাপাশি রাশিয়ার বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রতিযোগিতা এবং অলিম্পিয়াডের বিজয়ীরাও এতে যুক্ত হয়েছেন।
এবারের অভিযানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন শিক্ষার্থী মো. মালেকুল সালেহিন প্রত্যয়। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি বিশ্বের ২৩টি দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এই শিক্ষামূলক অভিযানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
আয়োজকদের মতে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, আর্কটিক অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।
রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, আর্কটিক এমন একটি অঞ্চল, যেখানে সাহসী ধারণা ও বড় পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়। তার ভাষ্য, বিশ্বের একমাত্র পরমাণুচালিত বরফভাঙা জাহাজের বহর ব্যবহার করে তরুণদের জন্য এমন অভিজ্ঞতার সুযোগ তৈরি করতে পেরে রোসাটম গর্বিত।

আপনার মতামত লিখুন