কক্সবাজারের মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনাল থেকে আবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার পর টার্মিনালটির একটি ইউনিট পুনরায় চালু করা হয়। তবে আরেকটি ইউনিট বন্ধ আছে।
পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) ঘনফুট হারে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। সামিটের এফএসআরইউ থেকে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুট। এতে আমদানি করা এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ঘনফুট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এই দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস পাওয়া কথা।
সূত্র বলছে, এক্সিলারেটের টার্মিনালটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে এটি আরও বেশি সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো পাওয়া গেলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের সংকটও ধীরে ধীরে কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবাসিকে রান্নার চুলায় গ্যাসের চাপ কোন কোন এলাকায় বাড়লেও অনেক এলাকায় এখনো চাপ কম তবে চুলা জ্বলছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও পর্যাপ্ত চাপ ফিরে না আসলেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। সিএনজি (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিতে আসা যানবাহনের ভীড় আগের চেয়ে কমেছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদকে বলেন, ‘গত কয়েকদিন অনেক স্টেশন গ্যাস একেবারেই পাচ্ছিল না। এখন কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। এতে সরবরাহ সংকট কমতে শুরু করেছে।’
চলমান গ্যাস সংকটের বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবদিকদের বলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ ‘স্বাভাবিক হবে’।
তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) বর্তমানে ফ্রিজিং চলছে। ফ্রিজিং শেষ হলে বিকেল থেকেই গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে। এর ফলে গ্যাসের অভাবে বন্ধ থাকা পাওয়ার স্টেশনগুলো আবারও চালু হবে। তবে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন লাগবে।’
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সেটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়। আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় দেশজুড়ে গ্যাসের চাপ কমে যায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন আবাসিক গ্রাহক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সিএনজি ব্যবহারকারীরা। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়।
বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় সেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, এলএনজি টার্মিনালের একটি ইউনিট চালু হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হলেও সংকট পুরোপুরি কাটতে এখনও কয়েক দিন সময় লাগবে। কারণ টার্মিনালটি এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। পাশাপাশি নিয়মিত এলএনজি কার্গো খালাস নিশ্চিত করাও জরুরি। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাসের চাপ আরও বাড়বে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বা ‘ভুতুরে বিল’ নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রসঙ্গেও কথা বলেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের অভিযোগের বিষয়ে যখন আমাদের কাছে আসতে বলা হয়, তখন কেউ তো আসে না। তবে যেসব অভিযোগ আসছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক প্রসেঙ্গ এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আজ (বৃহস্পতিবার) রুটিন বৈঠক হয়েছে। যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় আছে, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।’
এ সময় মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সহযোগিতা আরো বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও বেশি ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না, তিনি অনেক কিছুই বলেন। দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন।’

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনাল থেকে আবার জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার পর টার্মিনালটির একটি ইউনিট পুনরায় চালু করা হয়। তবে আরেকটি ইউনিট বন্ধ আছে।
পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১১ কোটি ৫০ লাখ (১১৫ মিলিয়ন) ঘনফুট হারে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। সামিটের এফএসআরইউ থেকে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৫৫ কোটি ঘনফুট। এতে আমদানি করা এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ঘনফুট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এই দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস পাওয়া কথা।
সূত্র বলছে, এক্সিলারেটের টার্মিনালটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হচ্ছে। আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে এটি আরও বেশি সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কার্গো পাওয়া গেলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও আবাসিক গ্রাহকদের সংকটও ধীরে ধীরে কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবাসিকে রান্নার চুলায় গ্যাসের চাপ কোন কোন এলাকায় বাড়লেও অনেক এলাকায় এখনো চাপ কম তবে চুলা জ্বলছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও পর্যাপ্ত চাপ ফিরে না আসলেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। সিএনজি (সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিতে আসা যানবাহনের ভীড় আগের চেয়ে কমেছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদকে বলেন, ‘গত কয়েকদিন অনেক স্টেশন গ্যাস একেবারেই পাচ্ছিল না। এখন কিছুটা পাওয়া যাচ্ছে। এতে সরবরাহ সংকট কমতে শুরু করেছে।’
চলমান গ্যাস সংকটের বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবদিকদের বলেন, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ ‘স্বাভাবিক হবে’।
তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) বর্তমানে ফ্রিজিং চলছে। ফ্রিজিং শেষ হলে বিকেল থেকেই গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে। এর ফলে গ্যাসের অভাবে বন্ধ থাকা পাওয়ার স্টেশনগুলো আবারও চালু হবে। তবে আগের মতো গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন লাগবে।’
গত ২১ জুলাই মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে সেটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়। আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় দেশজুড়ে গ্যাসের চাপ কমে যায়। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন আবাসিক গ্রাহক, শিল্প উদ্যোক্তা ও সিএনজি ব্যবহারকারীরা। একই সঙ্গে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংও বেড়ে যায়।
বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সরবরাহ হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় সেই সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, এলএনজি টার্মিনালের একটি ইউনিট চালু হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হলেও সংকট পুরোপুরি কাটতে এখনও কয়েক দিন সময় লাগবে। কারণ টার্মিনালটি এখনো পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে পারেনি। পাশাপাশি নিয়মিত এলএনজি কার্গো খালাস নিশ্চিত করাও জরুরি। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাসের চাপ আরও বাড়বে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল বা ‘ভুতুরে বিল’ নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ প্রসঙ্গেও কথা বলেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলের অভিযোগের বিষয়ে যখন আমাদের কাছে আসতে বলা হয়, তখন কেউ তো আসে না। তবে যেসব অভিযোগ আসছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক প্রসেঙ্গ এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘ভারতের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আজ (বৃহস্পতিবার) রুটিন বৈঠক হয়েছে। যেহেতু প্রতিবেশী দেশ, দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয় আছে, সেগুলো নিয়ে কথা হয়েছে।’
এ সময় মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সহযোগিতা আরো বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আরও বেশি ডিজেল দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ইস্যুতে এক প্রশ্নের জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না, তিনি অনেক কিছুই বলেন। দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন।’

আপনার মতামত লিখুন