রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সোয়া নয়টার দিকে উপজেলার তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম শরিফুল ইসলাম হীরা (৪০)। তিনি উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার জাবেদ আলীর ছেলে। শরিফুল তোরাই মোড়-কাজীপাড়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে তোরাই মোড় এলাকায় শরিফুল ইসলামের সঙ্গে কুমড়াকান্দি মল্লিকপাড়া গ্রামের কামরুলের পাওনা টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কামরুল তার কাছে থাকা চাকু দিয়ে শরিফুলকে আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরিফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত কামরুল এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত কামরুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। বিস্তারিত তদন্তের পর আরও পরিষ্কার হওয়া যাবে।’
নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সোয়া নয়টার দিকে উপজেলার তোরাই মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম শরিফুল ইসলাম হীরা (৪০)। তিনি উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার জাবেদ আলীর ছেলে। শরিফুল তোরাই মোড়-কাজীপাড়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে তোরাই মোড় এলাকায় শরিফুল ইসলামের সঙ্গে কুমড়াকান্দি মল্লিকপাড়া গ্রামের কামরুলের পাওনা টাকা নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কামরুল তার কাছে থাকা চাকু দিয়ে শরিফুলকে আঘাত করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরিফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত কামরুল এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পাওনা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। অভিযুক্ত কামরুলকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। বিস্তারিত তদন্তের পর আরও পরিষ্কার হওয়া যাবে।’
নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন