প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে, এটি মেনে নিয়েই বিরোধীদের রাজনীতি করতে হবে।
সরকার দেশে কোনো ‘রাজনৈতিক সংকট’ দেখছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল দু-একটি ককটেল বিস্ফোরণ বা বাসে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়ে সরকারের মধ্যে কোনো সংকট তৈরি করা যাবে না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।
বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন ও ‘এক দফা’ দাবি প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘যারা এখন বিরোধী দলে আছেন, তারা লংমার্চ করছেন। তারা তা করতেই পারেন। এমনকি তারা সরকারের কাছে এক দফা দাবিও দিচ্ছেন। তবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে দিতে হবে, এটা মেনে নিয়েই রাজনীতি করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরের কয়েকটি জায়গায় দুএকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে, বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে, এসব করে আসলে কোনো সংকট তৈরি করা যায় বলে আমি মনে করি না।’
আন্দোলনের ধরন নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ভারতে ককরোচ জনতা পার্টি এত বড় আন্দোলন করেছে, কিংবা নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন হয়েছিল, যেখানে দিল্লিকে প্রায় অচল করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয়নি। যেখানে ব্যর্থতা রয়েছে, সেখানে চাপ সৃষ্টি করাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার।’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে জনদুর্ভোগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করে বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট কিছুটা বাড়বে। তবে সরকারের কাছে এর চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। কোনো সরকার কি জেনেশুনে এ সময়ে অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চায়? নিশ্চয়ই না। কিন্তু বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে এটি প্রয়োজন ছিল। আমি আশা করি, জনগণ এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বুঝতে পারবে।’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই ছিল না বলে দাবি তথ্য উপদেষ্টার।
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সফরটি দীর্ঘ হওয়ার কথা থাকলেও ব্যয় সংকোচন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী এটি সংক্ষিপ্ত করেছেন। একটি ছোট দল নিয়ে তিনি সফরে গেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে থাকাটাই তার কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বোয়িং কেনার চুক্তি সই হবে কি না জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। এই সফরেই চুক্তি সই হবে কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকার পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকবে, এটি মেনে নিয়েই বিরোধীদের রাজনীতি করতে হবে।
সরকার দেশে কোনো ‘রাজনৈতিক সংকট’ দেখছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল দু-একটি ককটেল বিস্ফোরণ বা বাসে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়ে সরকারের মধ্যে কোনো সংকট তৈরি করা যাবে না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদও উপস্থিত ছিলেন।
বিরোধী দলের চলমান আন্দোলন ও ‘এক দফা’ দাবি প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘যারা এখন বিরোধী দলে আছেন, তারা লংমার্চ করছেন। তারা তা করতেই পারেন। এমনকি তারা সরকারের কাছে এক দফা দাবিও দিচ্ছেন। তবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকারকে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে দিতে হবে, এটা মেনে নিয়েই রাজনীতি করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরের কয়েকটি জায়গায় দুএকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে, বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে, এসব করে আসলে কোনো সংকট তৈরি করা যায় বলে আমি মনে করি না।’
আন্দোলনের ধরন নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘ভারতে ককরোচ জনতা পার্টি এত বড় আন্দোলন করেছে, কিংবা নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন হয়েছিল, যেখানে দিল্লিকে প্রায় অচল করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও সরকারের পদত্যাগ দাবি করা হয়নি। যেখানে ব্যর্থতা রয়েছে, সেখানে চাপ সৃষ্টি করাই রাজনৈতিক শিষ্টাচার।’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং এর ফলে জনদুর্ভোগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা স্বীকার করে বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষের কষ্ট কিছুটা বাড়বে। তবে সরকারের কাছে এর চেয়ে ভালো কোনো বিকল্প ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। কোনো সরকার কি জেনেশুনে এ সময়ে অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চায়? নিশ্চয়ই না। কিন্তু বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে এটি প্রয়োজন ছিল। আমি আশা করি, জনগণ এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা বুঝতে পারবে।’
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই ছিল না বলে দাবি তথ্য উপদেষ্টার।
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করার বিষয়ে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে সফরটি দীর্ঘ হওয়ার কথা থাকলেও ব্যয় সংকোচন এবং দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী এটি সংক্ষিপ্ত করেছেন। একটি ছোট দল নিয়ে তিনি সফরে গেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে থাকাটাই তার কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় বোয়িং কেনার চুক্তি সই হবে কি না জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে। এই সফরেই চুক্তি সই হবে কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই। তবে চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন