বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ও ব্যয়বহুল সামরিক শক্তির সামনে নিজেদের অভাবনীয় শক্তি, প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বনির্ভর হওয়ার তাগিদ দিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৃত্রিম বিভাজন দূর করে 'প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব' গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মুখে মুসলিম বিশ্বকে সীমানা ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোরালো আহ্বান
জানিয়েছে তেহরান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,
"ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক শক্তির সামনে
নিজেদের প্রস্তুতি, সক্ষমতা ও শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে।"
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার
তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, "মুসলিমরা যখন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায় তখন দুষ্কৃতিকারী বহিরাগতদের
সৃষ্ট যে কোনো চ্যালেঞ্জ আমরা সরাসরি মোকাবিলা করতে পারি।"
বাইরের শক্তির ওপর
নির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, "এখন সময় শুধু নিজেদের ওপর নির্ভর
করার এবং প্রকৃত ভ্রাতৃত্বকে গ্রহণ করার।"
আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর
সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের নীতি ও সার্বিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ
পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান যে কোনো সংলাপে বসতে
প্রস্তুত। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করে, এমন কোনো অযৌক্তিক
দাবি তেহরান কখনই মেনে নেবে না।
আঞ্চলিক সংঘাতের
এই সংকটময় মুহূর্তে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং ভূরাজনৈতিক
বিভাজন ঠেকানো অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরানের
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন
নিজেদের তৈরি করা চোরাবালিতে নিজেরাই আটকা পড়েছে। সামরিক ও সংবাদমাধ্যমের সর্বাত্মক
চেষ্টা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে তারা চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
তাদের মতে, এই যুদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রের এক 'কৌশলগত অচলাবস্থা', পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যকার গভীর ফাটল এবং বিশ্বজুড়ে
মার্কিন আধিপত্যের পতনকে স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছে।
উল্লেখ্য, চলমান
সংঘাত চলাকালে ইরানের ভূখণ্ডে আক্রমণের জবাবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা
চালিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয় ইরানি সশস্ত্র বাহিনী।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত ও ব্যয়বহুল সামরিক শক্তির সামনে নিজেদের অভাবনীয় শক্তি, প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বনির্ভর হওয়ার তাগিদ দিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে কৃত্রিম বিভাজন দূর করে 'প্রকৃত ভ্রাতৃত্ব' গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র
ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের মুখে মুসলিম বিশ্বকে সীমানা ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোরালো আহ্বান
জানিয়েছে তেহরান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন,
"ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক শক্তির সামনে
নিজেদের প্রস্তুতি, সক্ষমতা ও শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে।"
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার
তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, "মুসলিমরা যখন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ায় তখন দুষ্কৃতিকারী বহিরাগতদের
সৃষ্ট যে কোনো চ্যালেঞ্জ আমরা সরাসরি মোকাবিলা করতে পারি।"
বাইরের শক্তির ওপর
নির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, "এখন সময় শুধু নিজেদের ওপর নির্ভর
করার এবং প্রকৃত ভ্রাতৃত্বকে গ্রহণ করার।"
আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর
সঙ্গে আলোচনা নিয়ে ইরানের নীতি ও সার্বিক অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ
পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট করে জানান, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ইরান যে কোনো সংলাপে বসতে
প্রস্তুত। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে দুর্বল করে, এমন কোনো অযৌক্তিক
দাবি তেহরান কখনই মেনে নেবে না।
আঞ্চলিক সংঘাতের
এই সংকটময় মুহূর্তে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং ভূরাজনৈতিক
বিভাজন ঠেকানো অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরানের
ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন
নিজেদের তৈরি করা চোরাবালিতে নিজেরাই আটকা পড়েছে। সামরিক ও সংবাদমাধ্যমের সর্বাত্মক
চেষ্টা সত্ত্বেও ইরানের বিরুদ্ধে তারা চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
তাদের মতে, এই যুদ্ধ
যুক্তরাষ্ট্রের এক 'কৌশলগত অচলাবস্থা', পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যকার গভীর ফাটল এবং বিশ্বজুড়ে
মার্কিন আধিপত্যের পতনকে স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছে।
উল্লেখ্য, চলমান
সংঘাত চলাকালে ইরানের ভূখণ্ডে আক্রমণের জবাবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা
চালিয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দেয় ইরানি সশস্ত্র বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন