সংবাদ

মতলবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু


প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রতিনিধি, চাঁদপুর
প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম

মতলবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হৃদয় হোসেন (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ত) সকালে পৌরসভার নবকলস এলাকায় একটি নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার কাজ করার সময় লোহার অ্যাঙ্গেল বৈদ্যুতিক তারে লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয় হাজীগঞ্জ উপজেলার মেনাপুর গ্রামের মো. মানিক মিয়ার ছেলে। মাত্র এক মাস আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনের পাশ দিয়ে ৩৩ কেভির মূল বিদ্যুৎলাইন থাকা সত্ত্বেও কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ চলছিল। লাইনের ঝুঁকির কারণে আগে চারজন ঠিকাদার কাজ করতে রাজি না হলেও বাড়ির মালিক লিটন জোর করে শ্রমিকদের কাজে লাগান বলে অভিযোগ। বিদ্যুৎলাইনের খুঁটি থেকে ভবনের দূরত্ব এক ফুটও নেই দাবি করে তারা পৌরসভার অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সহকর্মী শ্রমিক জুম্মন জানান, ঠিকাদার সাইফুলের অধীনে তারা কাজে এসেছিলেন এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোর করে কাজে পাঠানো হয়েছিল।

পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস আহম্মেদ জানান, ভবনটির অনুমোদন যাচাই করতে লোক পাঠানো হয়েছে। মতলব দক্ষিণ থানার ওসি হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাদীপক্ষ ময়নাতদন্তে অনিচ্ছুক হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


মতলবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে হৃদয় হোসেন (২০) নামের এক নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ত) সকালে পৌরসভার নবকলস এলাকায় একটি নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার কাজ করার সময় লোহার অ্যাঙ্গেল বৈদ্যুতিক তারে লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয় হাজীগঞ্জ উপজেলার মেনাপুর গ্রামের মো. মানিক মিয়ার ছেলে। মাত্র এক মাস আগে তিনি বিয়ে করেছিলেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনের পাশ দিয়ে ৩৩ কেভির মূল বিদ্যুৎলাইন থাকা সত্ত্বেও কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কাজ চলছিল। লাইনের ঝুঁকির কারণে আগে চারজন ঠিকাদার কাজ করতে রাজি না হলেও বাড়ির মালিক লিটন জোর করে শ্রমিকদের কাজে লাগান বলে অভিযোগ। বিদ্যুৎলাইনের খুঁটি থেকে ভবনের দূরত্ব এক ফুটও নেই দাবি করে তারা পৌরসভার অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সহকর্মী শ্রমিক জুম্মন জানান, ঠিকাদার সাইফুলের অধীনে তারা কাজে এসেছিলেন এবং অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোর করে কাজে পাঠানো হয়েছিল।

পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফেরদৌস আহম্মেদ জানান, ভবনটির অনুমোদন যাচাই করতে লোক পাঠানো হয়েছে। মতলব দক্ষিণ থানার ওসি হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাদীপক্ষ ময়নাতদন্তে অনিচ্ছুক হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত