সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকায় একটি বাসা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে তিনজনের লাশ পাওয়া যায়।
নিহতরা হলেন বাসার মালিক আব্দুস সাত্তার মিয়া (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৫) ও তাদের গৃহপরিচারিকা (২৫)। ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার মিয়া চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ছিলেন এবং রায়নগরের ওই বাসাতেই থাকতেন। এই দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে দুজন লন্ডনে ও দুজন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং পুলিশ লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
নিহত দম্পতির ভাগনে মুন্না মিয়া জানান, রায়নগরের বাসায় তার মা-মামি একাই থাকতেন, সঙ্গে থাকত একজন গৃহকর্মী। সকাল নয়টার দিকেও তাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এর পরই তাদের হত্যা করা হয়।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
সিলেট মহানগরের রায়নগর আবাসিক এলাকায় একটি বাসা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও তাদের গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে তিনজনের লাশ পাওয়া যায়।
নিহতরা হলেন বাসার মালিক আব্দুস সাত্তার মিয়া (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৫) ও তাদের গৃহপরিচারিকা (২৫)। ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার মিয়া চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ছিলেন এবং রায়নগরের ওই বাসাতেই থাকতেন। এই দম্পতির চার সন্তানের মধ্যে দুজন লন্ডনে ও দুজন যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং পুলিশ লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মঞ্জুরুল আলম বলেন, ঘটনাটি ঠিক কীভাবে ঘটেছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
নিহত দম্পতির ভাগনে মুন্না মিয়া জানান, রায়নগরের বাসায় তার মা-মামি একাই থাকতেন, সঙ্গে থাকত একজন গৃহকর্মী। সকাল নয়টার দিকেও তাদের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এর পরই তাদের হত্যা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন