রংপুর নগরীতে এক অটোরিকশা গ্যারেজ মালিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর আলমারি ও সিন্দুক ভেঙে নগদ ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নগরীর তাজহাট আনসারীর মোড় এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে আব্দুর রহমান (৬৫) নামের ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহমান তার বাড়ির সামনেই অটোরিকশার একটি গ্যারেজ চালাতেন। সেখানে টাকার বিনিময়ে অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হতো। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি গ্যারেজের ভেতরেই একটি ঘরে রাত্রিযাপন করতেন। আজ সকালে স্থানীয়রা গ্যারেজের বন্ধ দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে আসতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের বড় ছেলে নুরুন্নবী মিয়া অভিযোগ করে বলেন, 'আমার বাবার আলমারিতে গ্যারেজ ব্যবসার জমানো ১৩-১৪ লাখ টাকা ছিল। দুর্বৃত্তরা বাবাকে কুপিয়ে হত্যার পর আলমারি ও ভেতরের সিন্দুক ভেঙে সব টাকা ও স্বর্ণের গয়না লুট করে নিয়ে গেছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।' নিহতের অন্য সন্তানরাও একই অভিযোগ করেছেন।
খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী, তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিক এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিআইডির বিশেষজ্ঞরা আলামত সংগ্রহ করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, 'প্রাথমিকভাবে এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘরের আলমারি ভাঙা পাওয়া গেছে, যা থেকে মনে হয় লুটপাটের উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।'

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
রংপুর নগরীতে এক অটোরিকশা গ্যারেজ মালিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যার পর আলমারি ও সিন্দুক ভেঙে নগদ ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নগরীর তাজহাট আনসারীর মোড় এলাকার একটি গ্যারেজ থেকে আব্দুর রহমান (৬৫) নামের ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রহমান তার বাড়ির সামনেই অটোরিকশার একটি গ্যারেজ চালাতেন। সেখানে টাকার বিনিময়ে অটোরিকশা চার্জ দেওয়া হতো। স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি গ্যারেজের ভেতরেই একটি ঘরে রাত্রিযাপন করতেন। আজ সকালে স্থানীয়রা গ্যারেজের বন্ধ দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে আসতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
নিহতের বড় ছেলে নুরুন্নবী মিয়া অভিযোগ করে বলেন, 'আমার বাবার আলমারিতে গ্যারেজ ব্যবসার জমানো ১৩-১৪ লাখ টাকা ছিল। দুর্বৃত্তরা বাবাকে কুপিয়ে হত্যার পর আলমারি ও ভেতরের সিন্দুক ভেঙে সব টাকা ও স্বর্ণের গয়না লুট করে নিয়ে গেছে। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।' নিহতের অন্য সন্তানরাও একই অভিযোগ করেছেন।
খবর পেয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী, তাজহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিক এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সিআইডির বিশেষজ্ঞরা আলামত সংগ্রহ করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, 'প্রাথমিকভাবে এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘরের আলমারি ভাঙা পাওয়া গেছে, যা থেকে মনে হয় লুটপাটের উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।'

আপনার মতামত লিখুন