ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই মো. গোলাম রুহানীকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
গত ১২ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. গোলাম রুহানী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ২৩(ছ) ধারায় এটি পালায়ন হিসেবে গণ্য হওয়ায় তাকে ওই দিন থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তের এ আদেশে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময় তিনি বিধি অনুযায়ী ঘোষিত ভাতা প্রাপ্ত হবেন।
রুহানী ছাড়াও একই দিনে আরও তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল ইসলাম, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রওশানুল হক সৈকত এবং ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মফিজুর রহমান পলাশ।
তারাও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ১৫ জুন একই অপরাধে ১৪ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। নতুন এ চারজনসহ বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল ২১ জনে।
গোলাম রুহানী ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর রাব্বানীর ছোট ভাই।
রব্বানীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং হামলা-মারধরের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠার পর তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রত্বও বাতিল করে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই মো. গোলাম রুহানীকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
গত ১২ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. গোলাম রুহানী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়ে ১১ আগস্ট ২০২৪ তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ২৩(ছ) ধারায় এটি পালায়ন হিসেবে গণ্য হওয়ায় তাকে ওই দিন থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তের এ আদেশে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকালীন সময় তিনি বিধি অনুযায়ী ঘোষিত ভাতা প্রাপ্ত হবেন।
রুহানী ছাড়াও একই দিনে আরও তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল ইসলাম, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রওশানুল হক সৈকত এবং ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মফিজুর রহমান পলাশ।
তারাও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ১৫ জুন একই অপরাধে ১৪ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। নতুন এ চারজনসহ বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তার সংখ্যা দাঁড়াল ২১ জনে।
গোলাম রুহানী ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর রাব্বানীর ছোট ভাই।
রব্বানীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং হামলা-মারধরের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ২০১৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠার পর তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার ছাত্রত্বও বাতিল করে।

আপনার মতামত লিখুন