ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি সর্বাধুনিক ‘এমকিউ-নাইন’ ড্রোন আটকে দিয়ে সেটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সম্প্রচারিত সংবাদ প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন ড্রোনটিকে সফলভাবে ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-এর একটি ‘নতুন ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ব্যবহার করা হয়েছে। চালকহীন বিমানটি সীমান্ত ঘেঁষে উড়ার সময় এই বিশেষ সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই ড্রোনটির গতিবিধি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আকাশেই নিখুঁত নিশানায় সেটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয় ইরানি বাহিনী।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এমকিউ-নাইন রিপার মডেলের এই ড্রোনগুলো মূলত দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ আকাশে নজরদারি চালানো এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সূক্ষ্ম বোমা হামলার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিশনে ব্যবহার করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে এই মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিজেদের সামরিক কৌশল বজায় রাখতে এ ধরনের ড্রোন নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছে।
প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ফ্রন্টে বেশ কয়েক ডজন এমকিউ-নাইন ড্রোন হারিয়েছে। ইরানের নতুন প্রযুক্তির সামরিক ব্যবস্থার হাতে এই শক্তিশালী ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা আঞ্চলিক আকাশসীমা সুরক্ষায় তেহরানের এক বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমুজগান প্রদেশের আকাশে অনুপ্রবেশকারী একটি সর্বাধুনিক ‘এমকিউ-নাইন’ ড্রোন আটকে দিয়ে সেটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই সম্প্রতি ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সম্প্রচারিত সংবাদ প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন ড্রোনটিকে সফলভাবে ভূপাতিত করার ক্ষেত্রে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি-এর একটি ‘নতুন ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’ ব্যবহার করা হয়েছে। চালকহীন বিমানটি সীমান্ত ঘেঁষে উড়ার সময় এই বিশেষ সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই ড্রোনটির গতিবিধি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আকাশেই নিখুঁত নিশানায় সেটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয় ইরানি বাহিনী।
সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এমকিউ-নাইন রিপার মডেলের এই ড্রোনগুলো মূলত দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ আকাশে নজরদারি চালানো এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সূক্ষ্ম বোমা হামলার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিশনে ব্যবহার করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে এই মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিজেদের সামরিক কৌশল বজায় রাখতে এ ধরনের ড্রোন নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছে।
প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ফ্রন্টে বেশ কয়েক ডজন এমকিউ-নাইন ড্রোন হারিয়েছে। ইরানের নতুন প্রযুক্তির সামরিক ব্যবস্থার হাতে এই শক্তিশালী ড্রোন ধ্বংসের ঘটনা আঞ্চলিক আকাশসীমা সুরক্ষায় তেহরানের এক বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন