কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং মরদেহ তড়িঘড়ি সৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন পানিহাটির সাবেক তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ওডিশা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও তথ্যপ্রমাণ নষ্টের চেষ্টার অভিযোগে নতুন মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওডিশায় গ্রেপ্তারের পর নির্মল ঘোষকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধারের পর তা পানিহাটি শ্মশানে দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল। শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল নিহত চিকিৎসকের পরিবার।
নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার অভিযোগ, নির্মল ঘোষ ও স্থানীয় আরও দুই তৃণমূল নেতা তাদের মরদেহ ঠিকমতো দেখতে না দিয়েই দ্রুত সৎকারের ব্যবস্থা করেন। পরিবারের আপত্তি ও দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবির তোয়াক্কা না করে কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার ছাড়াই তড়িঘড়ি মরদেহ দাহ করা হয়। গত মে মাসে এ নিয়ে আদালতে আবেদন করেছিল পরিবার।
সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সম্প্রতি ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট নির্মল ঘোষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। অভিযুক্ত অন্য দুজন হলেন পানিহাটি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথ দে ও তৃণমূল নেতা সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, মরদেহ সৎকারের সময় কোনো সুপরিকল্পিত উপায়ে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল কি না।
নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পানিহাটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উল্লাস দেখা দেয়। অনেকে একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) নির্মল ঘোষকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। এছাড়া গত জুলাই মাসে তার ছেলেকেও অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
\

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং মরদেহ তড়িঘড়ি সৎকারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন পানিহাটির সাবেক তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ওডিশা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও তথ্যপ্রমাণ নষ্টের চেষ্টার অভিযোগে নতুন মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওডিশায় গ্রেপ্তারের পর নির্মল ঘোষকে ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হচ্ছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) তাকে ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধারের পর তা পানিহাটি শ্মশানে দ্রুত সৎকার করা হয়েছিল। শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল নিহত চিকিৎসকের পরিবার।
নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার অভিযোগ, নির্মল ঘোষ ও স্থানীয় আরও দুই তৃণমূল নেতা তাদের মরদেহ ঠিকমতো দেখতে না দিয়েই দ্রুত সৎকারের ব্যবস্থা করেন। পরিবারের আপত্তি ও দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবির তোয়াক্কা না করে কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার ছাড়াই তড়িঘড়ি মরদেহ দাহ করা হয়। গত মে মাসে এ নিয়ে আদালতে আবেদন করেছিল পরিবার।
সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সম্প্রতি ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট নির্মল ঘোষসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। অভিযুক্ত অন্য দুজন হলেন পানিহাটি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান সোমনাথ দে ও তৃণমূল নেতা সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, মরদেহ সৎকারের সময় কোনো সুপরিকল্পিত উপায়ে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা হয়েছিল কি না।
নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে পানিহাটি এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উল্লাস দেখা দেয়। অনেকে একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) নির্মল ঘোষকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। এছাড়া গত জুলাই মাসে তার ছেলেকেও অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
\

আপনার মতামত লিখুন