চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক বাতাস বইয়ে দিয়ে ২২৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী গতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেমিট্যান্সের এই সন্তোষজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, চলতি আগস্টের ২২ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ থেকে ২২ আগস্ট দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর চলতি ২০২৬ বছরের একই সময়ে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ কোটি ১৭ লাখ ডলার, যা প্রায় ২৫ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
অর্থবছরের হিসাব বিশ্লেষণেও প্রবাসী আয়ে দেখা গেছে বড় ধরনের লাফ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৫০০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪১৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা শতকরা হিসেবে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞ ও ব্যাংকাররা বলছেন, প্রবাসীদের এই অভূতপূর্ব সাড়ার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ। বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হওয়ায় দেশে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই জোরালো ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে দেশের সার্বিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ২২ দিনেই দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক বাতাস বইয়ে দিয়ে ২২৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি ৪০ লাখ টাকা। প্রবাসী আয়ের এই ঊর্ধ্বমুখী গতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রেমিট্যান্সের এই সন্তোষজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, চলতি আগস্টের ২২ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ থেকে ২২ আগস্ট দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর চলতি ২০২৬ বছরের একই সময়ে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ কোটি ১৭ লাখ ডলার, যা প্রায় ২৫ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
অর্থবছরের হিসাব বিশ্লেষণেও প্রবাসী আয়ে দেখা গেছে বড় ধরনের লাফ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৫০০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪১৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৮১ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা শতকরা হিসেবে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞ ও ব্যাংকাররা বলছেন, প্রবাসীদের এই অভূতপূর্ব সাড়ার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ। বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের চেয়ে অনেক সহজ হওয়ায় দেশে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। রেমিট্যান্স প্রবাহের এই জোরালো ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের দিনগুলোতে দেশের সার্বিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল রূপ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন