গাজীপুরের কাপাসিয়ার সিংহশ্রী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকদের মধ্যে এক যুগের বেশি সময় ধরে চলা বিরোধে পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্বনামধন্য এই বিদ্যালয়ে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে কমছে। ২০২৬ সালে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। এক সময় এই বিদ্যালয়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী থাকলেও এখন আছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ জন।
চার মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর প্রভাবশালী এক ব্যক্তি আবার সভাপতি হওয়ার তৎপরতা শুরু করলে এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষকেরা তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ও দুদকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ২৪তম বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন নিজের ও স্ত্রীর পরিবারের প্রভাব খাটিয়ে ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, এই সময়ে তিনি নিজের অনুগতদের দিয়ে কমিটি গঠন করে যারা অনুগত নন, তাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। এর জেরে সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং দুজনের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ আছে; এর মধ্যে একজন শিক্ষক বছরের পর বছর বেতনহীন থেকে ২০২১ সালে মারা যান বলেও জানা গেছে।
লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া রশিদ-ভাউচার দেখিয়ে টাকা তোলা, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন এবং কোনো নিরীক্ষা কমিটি ছাড়াই একক ক্ষমতায় আর্থিক লেনদেন করার অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বারবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও প্রভাবশালী এই ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সব কিছু ধামাচাপা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. লোকমান হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
গাজীপুরের কাপাসিয়ার সিংহশ্রী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষকদের মধ্যে এক যুগের বেশি সময় ধরে চলা বিরোধে পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্বনামধন্য এই বিদ্যালয়ে সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে কমছে। ২০২৬ সালে ৬৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২৮ জন কৃতকার্য হয়েছে। এক সময় এই বিদ্যালয়ে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী থাকলেও এখন আছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ জন।
চার মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর প্রভাবশালী এক ব্যক্তি আবার সভাপতি হওয়ার তৎপরতা শুরু করলে এলাকাবাসী, অভিভাবক ও শিক্ষকেরা তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ও দুদকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ২৪তম বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন নিজের ও স্ত্রীর পরিবারের প্রভাব খাটিয়ে ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, এই সময়ে তিনি নিজের অনুগতদের দিয়ে কমিটি গঠন করে যারা অনুগত নন, তাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। এর জেরে সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না এবং দুজনের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। একাধিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের বিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ আছে; এর মধ্যে একজন শিক্ষক বছরের পর বছর বেতনহীন থেকে ২০২১ সালে মারা যান বলেও জানা গেছে।
লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া রশিদ-ভাউচার দেখিয়ে টাকা তোলা, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন এবং কোনো নিরীক্ষা কমিটি ছাড়াই একক ক্ষমতায় আর্থিক লেনদেন করার অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বারবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও প্রভাবশালী এই ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সব কিছু ধামাচাপা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. লোকমান হোসেনের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

আপনার মতামত লিখুন