জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফারজানা রূপার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে তারা দুজনই পৃথক দুটি মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকায় সংশ্লিষ্ট জেল সুপারের মাধ্যমে তাদের কাছে এই আদেশের নোটিশ ও নির্দিষ্ট ফরম পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বলেন, "অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।"
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির পরিচালক (বিষয় ও তদন্ত-২) স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে নির্ধারিত ফরমে তাদের নিজেদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। এই নোটিশের সঙ্গে শাকিলের জন্য ০০৭২১৩ এবং ফারজানা রূপার জন্য ০০৭২১৪ নম্বর সম্পদ বিবরণী ফরম ইস্যু করা হয়।
দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬ ধারার উপধারা (১)-এর অধীন অর্পিত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে বা কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করলে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আদেশে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে নোটিশ জারি করতে কমিশনের কনস্টেবল মো. জুয়েল মিয়া এই দম্পতির স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানায় যান। কিন্তু তাদের সেখানে না পাওয়ায় ফরমসহ মূল আদেশপত্র ফেরত আসে। পরবর্তীতে অনুসন্ধান চালিয়ে সংস্থাটি জানতে পারে, শাকিল আহমেদ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী ফারজানা রূপা যাত্রাবাড়ী থানার অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।
এমন পরিস্থিতিতে আসামিরা কারাবন্দি থাকায় কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই সম্পদ বিবরণীর আদেশ জারির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই শাকিল আহমেদের আদেশের কপি সিনিয়র জেল সুপার, কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ফারজানা রূপার আদেশপত্রটি জেল সুপার, মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের মাধ্যমে তামিল করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দুদকের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে ইতিমধ্যেই নথিপত্র অনুমোদনের জন্য পেশ করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী ফারজানা রূপার সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে তারা দুজনই পৃথক দুটি মামলায় বর্তমানে কারাগারে থাকায় সংশ্লিষ্ট জেল সুপারের মাধ্যমে তাদের কাছে এই আদেশের নোটিশ ও নির্দিষ্ট ফরম পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রবিবার সংবাদ মাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বলেন, "অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপার নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।"
দুদক সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির পরিচালক (বিষয় ও তদন্ত-২) স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রূপাকে নির্ধারিত ফরমে তাদের নিজেদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। এই নোটিশের সঙ্গে শাকিলের জন্য ০০৭২১৩ এবং ফারজানা রূপার জন্য ০০৭২১৪ নম্বর সম্পদ বিবরণী ফরম ইস্যু করা হয়।
দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬ ধারার উপধারা (১)-এর অধীন অর্পিত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে বা কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করলে আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আদেশে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, প্রথমে নোটিশ জারি করতে কমিশনের কনস্টেবল মো. জুয়েল মিয়া এই দম্পতির স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানায় যান। কিন্তু তাদের সেখানে না পাওয়ায় ফরমসহ মূল আদেশপত্র ফেরত আসে। পরবর্তীতে অনুসন্ধান চালিয়ে সংস্থাটি জানতে পারে, শাকিল আহমেদ রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী ফারজানা রূপা যাত্রাবাড়ী থানার অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।
এমন পরিস্থিতিতে আসামিরা কারাবন্দি থাকায় কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমেই সম্পদ বিবরণীর আদেশ জারির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই শাকিল আহমেদের আদেশের কপি সিনিয়র জেল সুপার, কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং ফারজানা রূপার আদেশপত্রটি জেল সুপার, মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারের মাধ্যমে তামিল করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দুদকের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে ইতিমধ্যেই নথিপত্র অনুমোদনের জন্য পেশ করা হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন