নরসিংদীর মনোহরদীতে অটোরিকশাচালক আকাশ মিস্ত্রি (২৪) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই নেপথ্যের রোমহর্ষক কাহিনী বেরিয়ে এল। পরকীয়া বা বাইরের শত্রু নয়, খোদ জন্মদাতা বাবাই কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন ঘুমন্ত ছেলেকে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা আতাউর রহমান মিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালটি।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আকাশ মাদকাসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিনের অশান্তি ছিল। সম্প্রতি আতাউর রহমান তার ছোট মেয়েকে কিছু টাকা ধার দেন। সেই টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে শনিবার (২২ আগস্ট) বাবার সঙ্গে আকাশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আকাশ তার বাবা ও বোনকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলে চরম ক্ষুব্ধ হন আতাউর।
ঘটনার দিন শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা আকাশকে কুড়াল দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন আতাউর। পরে আকাশের মা ফিরোজা খাতুন গোয়ালঘর থেকে ফিরে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আকাশের মৃত্যু হয়। শুরুতে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করলেও পরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা করেন মা ফিরোজা খাতুন।
মামলার তদন্তে নেমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পুলিশের কাছে তিনি নিজের ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে মূল আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আতাউর রহমানের অতীত ঘেঁটে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয়রা জানান, এটিই তার প্রথম হত্যাকাণ্ড নয়। এর আগে ১৯৭৫ সালের দিকে গ্রামের মতি চেয়ারম্যানের ভাই আবদুস সামাদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটেছিলেন তিনি।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
নরসিংদীর মনোহরদীতে অটোরিকশাচালক আকাশ মিস্ত্রি (২৪) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই নেপথ্যের রোমহর্ষক কাহিনী বেরিয়ে এল। পরকীয়া বা বাইরের শত্রু নয়, খোদ জন্মদাতা বাবাই কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন ঘুমন্ত ছেলেকে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবা আতাউর রহমান মিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুড়ালটি।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আকাশ মাদকাসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিনের অশান্তি ছিল। সম্প্রতি আতাউর রহমান তার ছোট মেয়েকে কিছু টাকা ধার দেন। সেই টাকা ফেরত চাওয়া নিয়ে শনিবার (২২ আগস্ট) বাবার সঙ্গে আকাশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আকাশ তার বাবা ও বোনকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করলে চরম ক্ষুব্ধ হন আতাউর।
ঘটনার দিন শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে বাড়িতে কেউ ছিল না। এই সুযোগে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা আকাশকে কুড়াল দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন আতাউর। পরে আকাশের মা ফিরোজা খাতুন গোয়ালঘর থেকে ফিরে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আকাশের মৃত্যু হয়। শুরুতে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করলেও পরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা করেন মা ফিরোজা খাতুন।
মামলার তদন্তে নেমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পুলিশের কাছে তিনি নিজের ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে মূল আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে আতাউর রহমানের অতীত ঘেঁটে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। স্থানীয়রা জানান, এটিই তার প্রথম হত্যাকাণ্ড নয়। এর আগে ১৯৭৫ সালের দিকে গ্রামের মতি চেয়ারম্যানের ভাই আবদুস সামাদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন জেল খেটেছিলেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন