সংবাদ

স্কুল মাঠের গোলবার কেটে নিয়ে গেলেন প্রধান শিক্ষিকা


প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম

স্কুল মাঠের গোলবার কেটে নিয়ে গেলেন প্রধান শিক্ষিকা
পশ্চিম বোড়াগাড়ী দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে গোলবার সরিয়ে নিচ্ছেন প্রধান শিক্ষিকা তানিয়া পারভীন।

নীলফামারীর ডোমারে ফুটবল খেলার গোলবার কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ওই বোড়াগাড়ী দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তানিয়ার বিরুদ্ধে।  এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম বোড়াগাড়ী দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তানিয়া পারভীন তার নিজ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শিক্ষার্থীদের দিয়ে গোলবার দুটি কেটে সরিয়ে ফেলেন।

এসময় স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকের এমন কাণ্ডে বিস্মিত হন।এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় তরুণরা মাঠটি বিদ্যালয় ছুটির পর খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখতে ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

সেলিম ইসলাম নামে স্থানীয় এক তরুণ বলেন, বোড়াগাড়ী ইউনিয়নে ২/৩টি বড় মাঠের মধ্যে দোলাপাড়া প্রাইমারি স্কুলের খেলার মাঠ অন্যতম। এই মাঠে আমাদের বাপ চাচা ও বড় ভাইয়েরা খেলাধুলা করে গেছে। আমরাও খেলে এসেছি, কোনোদিন কোনো শিক্ষক এই ধরনের কাজ করেননি। তবে বর্তমান প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসার পর থেকে কমলমতি শিশুদের খেলাধুলার আগ্রহ বাধাগ্রস্ত করছেন।

সেলিম ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে রেজুলেশন ছাড়া গাছ ও গাছের ডাল কেটে বিক্রি করা, শিমুল গাছের তুলা বিক্রি করে আত্মসাৎ করা ও বিদ্যালয়ের পুরাতন বই বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

রায়হান ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘সরকার যেখানে খেলাধুলা করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে প্রধান শিক্ষক তানিয়া পারভিন খেলাধুলাকে বন্ধ করার জন্য গোলবারগুলো কেটে ফেলছেন।আমরা খেলার পরিবেশ ফিরে চাই। সেই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চাই।

গোলবার কেটে সরিয়ে ফেলার বিষয়টি স্বীকার করে প্রধান শিক্ষিকা তানিয়া পারভীন বলেন, বিদ্যালয় ছুটির পর বাইরের ছেলেরা খেলাধুলার সময় বিদ্যালয়ের জানালার গ্লাস ভেঙে ফেলেছে। তার জন্য গোলবারগুলো তুলে ফেলেছি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


স্কুল মাঠের গোলবার কেটে নিয়ে গেলেন প্রধান শিক্ষিকা

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর ডোমারে ফুটবল খেলার গোলবার কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ওই বোড়াগাড়ী দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তানিয়ার বিরুদ্ধে।  এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম বোড়াগাড়ী দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তানিয়া পারভীন তার নিজ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে শিক্ষার্থীদের দিয়ে গোলবার দুটি কেটে সরিয়ে ফেলেন।

এসময় স্থানীয়রা প্রধান শিক্ষকের এমন কাণ্ডে বিস্মিত হন।এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় তরুণরা মাঠটি বিদ্যালয় ছুটির পর খেলার জন্য উন্মুক্ত রাখতে ও প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

সেলিম ইসলাম নামে স্থানীয় এক তরুণ বলেন, বোড়াগাড়ী ইউনিয়নে ২/৩টি বড় মাঠের মধ্যে দোলাপাড়া প্রাইমারি স্কুলের খেলার মাঠ অন্যতম। এই মাঠে আমাদের বাপ চাচা ও বড় ভাইয়েরা খেলাধুলা করে গেছে। আমরাও খেলে এসেছি, কোনোদিন কোনো শিক্ষক এই ধরনের কাজ করেননি। তবে বর্তমান প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসার পর থেকে কমলমতি শিশুদের খেলাধুলার আগ্রহ বাধাগ্রস্ত করছেন।

সেলিম ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে রেজুলেশন ছাড়া গাছ ও গাছের ডাল কেটে বিক্রি করা, শিমুল গাছের তুলা বিক্রি করে আত্মসাৎ করা ও বিদ্যালয়ের পুরাতন বই বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

রায়হান ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘সরকার যেখানে খেলাধুলা করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে প্রধান শিক্ষক তানিয়া পারভিন খেলাধুলাকে বন্ধ করার জন্য গোলবারগুলো কেটে ফেলছেন।আমরা খেলার পরিবেশ ফিরে চাই। সেই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ চাই।

গোলবার কেটে সরিয়ে ফেলার বিষয়টি স্বীকার করে প্রধান শিক্ষিকা তানিয়া পারভীন বলেন, বিদ্যালয় ছুটির পর বাইরের ছেলেরা খেলাধুলার সময় বিদ্যালয়ের জানালার গ্লাস ভেঙে ফেলেছে। তার জন্য গোলবারগুলো তুলে ফেলেছি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত