সংবাদ

নেছারাবাদে সারের দোকান বন্ধ রাখায় কৃষকদের ভোগান্তি


প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩১ এএম

নেছারাবাদে সারের দোকান বন্ধ রাখায় কৃষকদের ভোগান্তি
ছবি : সংবাদ

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় বিসিআইসি সারের ডিলার মো. পারভেজ ইকবালের দোকান নিয়মিত খোলা না রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ করতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পারভেজ মিয়া নিয়মিত দোকানে থাকেন না। সপ্তাহে দু-একদিন দোকান খোলা পাওয়া গেলেও অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে। ফলে প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে এসে তাদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। শনিবার (২২ আগস্ট) সরেজমিনে আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ডিলারের দোকানে ডাবল তালা ঝুলছে। আশপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলার সপ্তাহে খুব কম সময় দোকানে আসেন। তবে দোকান বন্ধ থাকলেও তিনি পাশের দোকানে চাবি রেখে যান বলে দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে ডিলার মো. পারভেজ দোকান বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘দোকানে একজন লোক ছিল, সে চলে যাওয়ার পর মাঝে মাঝে বন্ধ রাখতে হয়। শীঘ্রই নতুন লোক নিয়োগ দেব। সার আনতে বা সাব-ডিলারদের সঙ্গে দেখা করতে বাইরে গেলে দোকান বন্ধ থাকে। তবে কৃষকদের সুবিধার্থে পাশের দোকানে চাবি রেখে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সারের ডিলারের দোকান বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। ডিলারকে নিয়মিত দোকান খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ডিলার অন্য ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় তিনি নিয়মিত দোকানে আসেন না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে ডিলারশিপ পরিবর্তন করে স্থানীয় কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


নেছারাবাদে সারের দোকান বন্ধ রাখায় কৃষকদের ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় বিসিআইসি সারের ডিলার মো. পারভেজ ইকবালের দোকান নিয়মিত খোলা না রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে সার, বীজ ও কীটনাশক সংগ্রহ করতে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পারভেজ মিয়া নিয়মিত দোকানে থাকেন না। সপ্তাহে দু-একদিন দোকান খোলা পাওয়া গেলেও অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকে। ফলে প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে এসে তাদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। শনিবার (২২ আগস্ট) সরেজমিনে আটঘর-কুড়িয়ানা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ডিলারের দোকানে ডাবল তালা ঝুলছে। আশপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলার সপ্তাহে খুব কম সময় দোকানে আসেন। তবে দোকান বন্ধ থাকলেও তিনি পাশের দোকানে চাবি রেখে যান বলে দাবি করা হয়।

এ বিষয়ে ডিলার মো. পারভেজ দোকান বন্ধ থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘দোকানে একজন লোক ছিল, সে চলে যাওয়ার পর মাঝে মাঝে বন্ধ রাখতে হয়। শীঘ্রই নতুন লোক নিয়োগ দেব। সার আনতে বা সাব-ডিলারদের সঙ্গে দেখা করতে বাইরে গেলে দোকান বন্ধ থাকে। তবে কৃষকদের সুবিধার্থে পাশের দোকানে চাবি রেখে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সারের ডিলারের দোকান বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই। ডিলারকে নিয়মিত দোকান খোলা রাখার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।’

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, ডিলার অন্য ইউনিয়নের বাসিন্দা হওয়ায় তিনি নিয়মিত দোকানে আসেন না। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে ডিলারশিপ পরিবর্তন করে স্থানীয় কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত