সংবাদ

অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে সীমান্তে বিজিবির সচেতনতামূলক প্রচার


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে সীমান্তে বিজিবির সচেতনতামূলক প্রচার
ছবি : সংবাদ

সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্তে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির আওতাধীন সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংসহ এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। প্রচারকালে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও আইনি পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে বলা হয়, সীমান্তে কোনো অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলের আনাগোনা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিজিবি বিওপিতে (বর্ডার আউটপোস্ট) তথ্য দিতে হবে। বিজিবি আরও অনুরোধ করেছে, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। পুশইনের শিকার হয়ে কোনো ব্যক্তি সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, ‘সীমান্তে অপরাধ ও অনুপ্রবেশ বন্ধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬


অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে সীমান্তে বিজিবির সচেতনতামূলক প্রচার

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্তে জনসচেতনতামূলক প্রচার চালিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির আওতাধীন সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংসহ এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। প্রচারকালে সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও আইনি পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে বলা হয়, সীমান্তে কোনো অপরিচিত বা সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলের আনাগোনা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ বিজিবি বিওপিতে (বর্ডার আউটপোস্ট) তথ্য দিতে হবে। বিজিবি আরও অনুরোধ করেছে, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। পুশইনের শিকার হয়ে কোনো ব্যক্তি সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, ‘সীমান্তে অপরাধ ও অনুপ্রবেশ বন্ধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে নিয়মিত টহল ও নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত