ঢাকার দোহার উপজেলার দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে রাইপাড়া ও বিলাসপুর ইউনিয়নে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক কারবারের নানা আলামত জব্দ করা হলেও দুই মূল হোতা সটকে পড়েছেন। তবে এ সময় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
যৌথ বাহিনী সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাইপাড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপ্রসাদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সাগর ও বিলাসপুর ইউনিয়নের ছোট রামনাথপুর এলাকার বাহাদুরের বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। তল্লাশিকালে তাদের ঘর থেকে ইয়াবা ও হেরোইন বিক্রির নানা আলামত এবং বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া অপরাধীদের গতিবিধি ও পরবর্তী তদন্তের স্বার্থে বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর মেশিন জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী।
অভিযান চলাকালে সাগরের বাড়িতে তাকে পাওয়া না গেলেও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাইদুল ইসলামের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযানে দোহার থানা পুলিশ, র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, 'মাদকের মরণছোবল থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে আমাদের এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। শীর্ষ মাদক কারবারিরা পলাতক থাকলেও তাদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।'

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার দোহার উপজেলার দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে রাইপাড়া ও বিলাসপুর ইউনিয়নে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক কারবারের নানা আলামত জব্দ করা হলেও দুই মূল হোতা সটকে পড়েছেন। তবে এ সময় তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
যৌথ বাহিনী সূত্র জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাইপাড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপ্রসাদ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি সাগর ও বিলাসপুর ইউনিয়নের ছোট রামনাথপুর এলাকার বাহাদুরের বাড়িতে হানা দেওয়া হয়। তল্লাশিকালে তাদের ঘর থেকে ইয়াবা ও হেরোইন বিক্রির নানা আলামত এবং বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া অপরাধীদের গতিবিধি ও পরবর্তী তদন্তের স্বার্থে বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর মেশিন জব্দ করেছে যৌথ বাহিনী।
অভিযান চলাকালে সাগরের বাড়িতে তাকে পাওয়া না গেলেও মাদক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাইদুল ইসলামের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযানে দোহার থানা পুলিশ, র্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, 'মাদকের মরণছোবল থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে আমাদের এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। শীর্ষ মাদক কারবারিরা পলাতক থাকলেও তাদের গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।'

আপনার মতামত লিখুন