রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার
ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ
দেন। একই সাথে শুনানি
শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোরও
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার
বিবরণীতে জানা যায়, ২০২২
সালের ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান ও ব্যাপক সংঘর্ষের
ঘটনা ঘটে। ওই সময়
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষের
মধ্যে পড়ে বিএনপিকর্মী মকবুল
হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে তাকে
উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া
হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের
৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন
মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা
করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬
জনের নাম উল্লেখ করা
হয় এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও
৪০০ থেকে ৫০০ জনকে
আসামি করা হয়। আমিরুল
আলম মিলন এই মামলার
৯৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
আদালতের
নথি অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন
সাবেক এমপি মিলনকে আদালতে
হাজির করে এই হত্যা
মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন জানান।
পরবর্তীতে শুনানি শেষে আদালত তা
মঞ্জুর করেন।
ডিএমপির
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রুকনুজ্জামান
বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আবেদনের
ওপর শুনানি শেষে বিচারক এ
গ্রেফতার মঞ্জুরের আদেশ দেন।
এর আগে ২০২৫ সালের
মে মাসে ঢাকা মহানগর
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেফতার
করেছিল। সে সময় যুবদল
নেতা শামীম হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজির
করা হলে বিচারক কারাগারে
পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে
তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত।
সোমবার
ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ
দেন। একই সাথে শুনানি
শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোরও
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার
বিবরণীতে জানা যায়, ২০২২
সালের ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান ও ব্যাপক সংঘর্ষের
ঘটনা ঘটে। ওই সময়
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সংঘর্ষের
মধ্যে পড়ে বিএনপিকর্মী মকবুল
হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। পরবর্তীতে তাকে
উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া
হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনার পর ২০২৪ সালের
৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন
মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা
করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬
জনের নাম উল্লেখ করা
হয় এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও
৪০০ থেকে ৫০০ জনকে
আসামি করা হয়। আমিরুল
আলম মিলন এই মামলার
৯৯ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
আদালতের
নথি অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশের (ডিবি) মতিঝিল বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন
সাবেক এমপি মিলনকে আদালতে
হাজির করে এই হত্যা
মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আবেদন জানান।
পরবর্তীতে শুনানি শেষে আদালত তা
মঞ্জুর করেন।
ডিএমপির
প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রুকনুজ্জামান
বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আবেদনের
ওপর শুনানি শেষে বিচারক এ
গ্রেফতার মঞ্জুরের আদেশ দেন।
এর আগে ২০২৫ সালের
মে মাসে ঢাকা মহানগর
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেফতার
করেছিল। সে সময় যুবদল
নেতা শামীম হত্যা মামলায় তাকে আদালতে হাজির
করা হলে বিচারক কারাগারে
পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর থেকে
তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন