মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পূর্ণ হয়ে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দশম বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই সময়ে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করলেও তাদের নিজ দেশে ফেরার পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন।
২৫ আগস্ট ‘রোহিঙ্গা সংকট–নয় বছর’ শীর্ষক এক যৌথ বিবৃতিতে ১৬টি দেশ ও সংস্থা এই উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে তাদের পৈত্রিক ভিটায় ফিরে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে রাখাইনজুড়ে বাড়তে থাকা সংঘাত, বেসামরিক অবকাঠামোতে বিমান হামলা এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের অবরোধের ফলে মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।
বিবৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে–কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।
কূটনৈতিক মিশনগুলো প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান অস্থিতিশীলতার কারণে আরও মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রার সময় প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটছে। এই সংকট মোকাবিলায় রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিশনগুলো অঙ্গীকার করেছে যে, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকবে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে। সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বিশ্ব যেন রোহিঙ্গাদের কথা ভুলে না যায়, সেই বিষয়েও যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে।
\

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পূর্ণ হয়ে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দশম বছরে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই সময়ে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করলেও তাদের নিজ দেশে ফেরার পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন।
২৫ আগস্ট ‘রোহিঙ্গা সংকট–নয় বছর’ শীর্ষক এক যৌথ বিবৃতিতে ১৬টি দেশ ও সংস্থা এই উদ্বেগ প্রকাশ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে তাদের পৈত্রিক ভিটায় ফিরে যাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে রাখাইনজুড়ে বাড়তে থাকা সংঘাত, বেসামরিক অবকাঠামোতে বিমান হামলা এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের অবরোধের ফলে মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।
বিবৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে–কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।
কূটনৈতিক মিশনগুলো প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান অস্থিতিশীলতার কারণে আরও মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং বিপজ্জনক সমুদ্রপথে যাত্রার সময় প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটছে। এই সংকট মোকাবিলায় রোহিঙ্গাদের আত্মনির্ভরশীলতা বাড়ানো এবং তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও দক্ষতা প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মিশনগুলো অঙ্গীকার করেছে যে, মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকবে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে। সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় বিশ্ব যেন রোহিঙ্গাদের কথা ভুলে না যায়, সেই বিষয়েও যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন