সংবাদ

অসহায় তানজিনার পাশে কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন


মোজাম্মেল হক, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
মোজাম্মেল হক, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম

অসহায় তানজিনার পাশে কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন
ছবি : সংবাদ

পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মদিনাছপাড়া গ্রামের তানজিনা। তার ইচ্ছা ছিল নিজে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার, কিন্তু সামর্থ্য ছিল না। এই অবস্থায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজে-র সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তার এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তানজিনার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দেন ইউএনও শামীমা আফরোজ মারলিজ।

সেলাই মেশিন পেয়ে তানজিনা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছা থেকেই ইউএনও স্যারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেলাই মেশিন পেয়ে এখন কাজ করে সন্তানদের জন্য কিছু করতে পারব বলে আশা করছি।’

ইউএনও শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, ‘তানজিনা তার পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কথা জানিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার তিনটি ছোট শিশু রয়েছে এবং পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় তিনি বেশ সমস্যার মধ্যে ছিলেন। তাই তাকে এমন একটি উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি নিজে কাজ করে আয় করতে পারবেন। আমরা চাই, সেলাইয়ের কাজের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠুন এবং সন্তানদের সুন্দরভাবে বড় করে তুলতে পারেন। সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


অসহায় তানজিনার পাশে কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পরিবারে কোনো উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নেই। তিন শিশু সন্তানকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের মদিনাছপাড়া গ্রামের তানজিনা। তার ইচ্ছা ছিল নিজে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার, কিন্তু সামর্থ্য ছিল না। এই অবস্থায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজে-র সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তার এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তানজিনার হাতে একটি সেলাই মেশিন তুলে দেন ইউএনও শামীমা আফরোজ মারলিজ।

সেলাই মেশিন পেয়ে তানজিনা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হচ্ছিল। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ইচ্ছা থেকেই ইউএনও স্যারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলাম। সেলাই মেশিন পেয়ে এখন কাজ করে সন্তানদের জন্য কিছু করতে পারব বলে আশা করছি।’

ইউএনও শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, ‘তানজিনা তার পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কথা জানিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার তিনটি ছোট শিশু রয়েছে এবং পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় তিনি বেশ সমস্যার মধ্যে ছিলেন। তাই তাকে এমন একটি উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে তিনি নিজে কাজ করে আয় করতে পারবেন। আমরা চাই, সেলাইয়ের কাজের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠুন এবং সন্তানদের সুন্দরভাবে বড় করে তুলতে পারেন। সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো উপজেলা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত