দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও নানা জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৩২ হাজারের বেশি শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে,
আগামী তিন মাসের মধ্যে
এই প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধিত হবে। মূলত জাতীয়করণ
শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় শিক্ষক সমাজের মাঝে স্বস্তি ফিরে
এসেছে এবং শূন্যপদ পূরণের
পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল
আল মেহেদী এ বিষয়ে জানান,
মামলার জটিলতা নিষ্পত্তি হওয়ার পর এখন মাঠপর্যায়ে
পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা
তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু
হয়েছে।
তিনি
বলেন, "গ্রেডেশন তালিকা আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত
করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন ইউনিটে
এটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা
তৈরির পর একটি নোটিশ
দেওয়া হবে এবং ৩০
কর্মদিবস সময় দেওয়া হবে।
এ সময়ের মধ্যে কোনো অভিযোগ না
এলে তালিকাটি আমাদের কাছে পাঠানো হবে।
এরপর আমরা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে
বিষয়টি পিএসসিতে পাঠাবো। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া
গেলে প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া
এগিয়ে নেওয়া যাবে।"
এর আগে,
২০১৩ সালে দেশজুড়ে বিপুলসংখ্যক
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। পরবর্তীতে
শিক্ষকদের চাকরিকাল, জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতি নির্ধারণ
নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি
হওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদে বড় পরিসরে
পদোন্নতি বন্ধ ছিল। তবে
চলতি বছরের গত ২ জুলাই
আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করায়
আইনি সেই জটিলতার অবসান
ঘটে।
সংশোধিত
নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ
পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০
শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার বিধান
রয়েছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক পদে অন্তত ১২
বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে
যোগ্য শিক্ষকদের এই বড় সুযোগ
দেওয়া হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের
তালিকা যাচাই-বাছাই, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং পিএসসির চূড়ান্ত
অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর হাজার হাজার
সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে উন্নীত হবেন,
যা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই ও নানা জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ৩২ হাজারের বেশি শূন্য পদে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে,
আগামী তিন মাসের মধ্যে
এই প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধিত হবে। মূলত জাতীয়করণ
শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী মামলা নিষ্পত্তি হওয়ায় শিক্ষক সমাজের মাঝে স্বস্তি ফিরে
এসেছে এবং শূন্যপদ পূরণের
পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল
আল মেহেদী এ বিষয়ে জানান,
মামলার জটিলতা নিষ্পত্তি হওয়ার পর এখন মাঠপর্যায়ে
পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা
তৈরির কাজ পুরোদমে শুরু
হয়েছে।
তিনি
বলেন, "গ্রেডেশন তালিকা আমরা অনলাইনে উন্মুক্ত
করে দিয়েছি। এখন বিভিন্ন ইউনিটে
এটি প্রস্তুত করা হচ্ছে। তালিকা
তৈরির পর একটি নোটিশ
দেওয়া হবে এবং ৩০
কর্মদিবস সময় দেওয়া হবে।
এ সময়ের মধ্যে কোনো অভিযোগ না
এলে তালিকাটি আমাদের কাছে পাঠানো হবে।
এরপর আমরা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে
বিষয়টি পিএসসিতে পাঠাবো। সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়া
গেলে প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া
এগিয়ে নেওয়া যাবে।"
এর আগে,
২০১৩ সালে দেশজুড়ে বিপুলসংখ্যক
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। পরবর্তীতে
শিক্ষকদের চাকরিকাল, জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতি নির্ধারণ
নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি
হওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদে বড় পরিসরে
পদোন্নতি বন্ধ ছিল। তবে
চলতি বছরের গত ২ জুলাই
আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করায়
আইনি সেই জটিলতার অবসান
ঘটে।
সংশোধিত
নিয়োগবিধি অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ
পদ পদোন্নতির মাধ্যমে এবং বাকি ২০
শতাংশ সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করার বিধান
রয়েছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষক পদে অন্তত ১২
বছরের চাকরির অভিজ্ঞতাসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ সাপেক্ষে
যোগ্য শিক্ষকদের এই বড় সুযোগ
দেওয়া হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের
তালিকা যাচাই-বাছাই, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং পিএসসির চূড়ান্ত
অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর হাজার হাজার
সহকারী শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে উন্নীত হবেন,
যা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন